বিশ্বকাপের রাউন্ড অব-৩২-এ ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে অবশেষে সমতায় ফিরেছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের ৭ম পিছিয়ে পড়া থ্রি লায়ন্সদের হয়ে ৭৫তম মিনিটে গুরুত্বপূর্ণ গোলটি করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
Advertisement
দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই সমতা ফেরানোর জন্য আক্রমণের পর আক্রমণ চালায় ইংল্যান্ড। অবশেষে ৭৫তম মিনিটে সেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় টমাস টুখেলের দল। বাম দিক থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের উঁচু করে বাড়ানো ক্রসে নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন কেইন। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-এনজাউ বলটি স্পর্শ করলেও সেটি ঠেকাতে ব্যর্থ হন।
৮৬তম মিনিটে হ্যারি কেইন করেন জয়সূচক গোলটি। ডিআর কঙ্গোর একটি আক্রমণ ভেস্তে দিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে ইংল্যান্ড। বেলিংহ্যামের শট প্রথমে গোলরক্ষক এমপাসি ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি আক্রমণে গর্ডনের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শক্তিশালী শটে বল জালে জড়ান কেইন। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল।
গোলটি করে ইংল্যান্ডকে ১-১ সমতায় ফেরান অধিনায়ক কেইন। এই গোলের পর নতুন উদ্যমে জয়সূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে থ্রি লায়ন্সরা।
Advertisement
সমতায় ফেরার পরপরই কৌশলগত পরিবর্তন আনে ডিআর কঙ্গো। ৭৬তম মিনিটে দুটি বদলি করেন কোচ। মাঠ ছাড়েন নোয়া মুকাউ ও প্রথমার্ধে গোল করা বেনি সিপেঙ্গা। তাদের জায়গায় নামানো হয় থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বেকে, যাতে মাঝমাঠ ও আক্রমণে নতুন গতি আনা যায়।
এই ম্যাচের বিজয়ী দল রাউন্ড অব-১৬-এ উঠবে এবং সেখানে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ঐতিহাসিক এস্তাদিও অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে।
শেষ ১৫ মিনিটে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলছে। ফলে ম্যাচটি এখন যে কোনো দিকেই মোড় নিতে পারে।
আইএইচএস/
Advertisement