যে স্কোরটা ১০০ থেকে ১১০ পর্যন্ত হওয়ার কথা, সেটাকে ১৪১ রান পর্যন্ত টেনে নিলেন টেল এন্ডার ব্যাটার নিউম্যান নিয়ামহুরি। শেষ মুহূর্তে তিনি করলেন ৩৩ রান। রিচার্ড এনগারাভাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়েছিলেন ৬৩ রানের দুর্দান্ত এক জুটি।
Advertisement
এর ফলে নাহিদ রানার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং সত্ত্বেও হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ালো ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রান। একাই ৬ উইকেট নেন নাহিদ রানা। তাসকিন আহমেদ নেন ২ উইকেট এবং মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ১ উইকেট।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের একের পর এক তোপের মুখে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন নাহিদ রানা।
শুরুতে জিম্বাবুয়ে ব্যাটারদের ওপর ঝড় তোলেন তাসকিন আহমেদ। শুরুতে ১৯ বলে ১৮ রান করে রানআউট হন বেন কারান। এরপর ২৪ বলে ১৭ রান করা ব্রায়ান বেনেতকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। ক্রেইগ আরভিন মাঠে নেমে দাঁড়াতেই পারেননি। তাকে গোল্ডেন ডাক ধরিয়ে দিয়ে বোল্ড করেন তাসকিন।
Advertisement
এরপরই ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নেন নাহিদ রানা। একে একে তুলে নেন সর্বোচ্চ ২৬ রান করা ইনোসেন্ট কাইয়া, সিকান্দার রাজা (১), ওয়েসলি মাধভিরে (০), ক্লাইভ মাদান্দে (২), ব্র্যাড ইভান্সের (৩) উইকেট।
৭০ রানের মাথায় ৮ উইকেট পড়ার পর ৯ম উইকেটে জিম্বাবুয়ে ইনিংসের হাল ধরেন নিউম্যান নিয়ামহুরি ও রিচার্ড এনগারাভা। এ দু’জন মিলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে তোলেন। সেটিও ভেঙে দেন নাহিদ রানা। ১৩৩ রানের মাথায় রিচার্ড এনগারাভাকে বোল্ড করেন তিনি। ৪১ বলে ২৭ রান করেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।
সর্বশেষ ১০ম উইকেট জুটিকে আর দাঁড়াতে দেননি অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫১ বলে ৩৩ রান করা নিয়ামহুরিকে তানজিদ তামিমের ক্যাচে পরিণত করেন মিরাজ।
আইএইচএস/
Advertisement