খেলাধুলা

প্রথমার্ধে গোল পায়নি স্পেন-পর্তুগাল কোনো দলই

শেষ ষোলোর লড়াইয়ে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও কোনো গোল করতে পারেনি স্পেন ও পর্তুগালের কোনো দলই। ফলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে ৫৫ শতাংশ বল দখলে রাখে স্পেন। শট নেয় ৮টি আর লক্ষ্যে রাখে ৩টি। ৪৫ শতাংশ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ৫ শটের দুটি লক্ষ্যে রাখে পর্তুগাল।

৩ মিনিটে মিডফিল্ডে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত প্রতিআক্রমণে ওঠেন স্পেনের মিকেল ওয়ারাজাবাল। একাই বল নিয়ে প্রতিপক্ষের শেষ তৃতীয়াংশে ঢুকে গোলমুখে শট নিলেও দারুণ সেভ করে পর্তুগালকে রক্ষা করেন ডিয়েগো কস্তা। এরপরই ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান লামিনে ইয়ামাল। তার নিখুঁত ক্রস বক্সের মাঝখানে পৌঁছালেও সেখানে কোনো স্প্যানিশ খেলোয়াড় না থাকায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পর্তুগাল। শেষ পর্যন্ত বিপদমুক্ত করে বল ক্লিয়ার করে দেয় তাদের রক্ষণভাগ।

৮ মিনিটে দানি ওলমোর দারুণ থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন মিকেল ওয়ারাজাবাল। তিনি মাটিতে রাখা শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। লাইনসম্যানও অফসাইডের পতাকা তোলেননি। অর্থাৎ বল জালে জড়ালে গোলটি বৈধই হতো। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো সুযোগ হাতছাড়া করলো স্পেন।

Advertisement

১২ মিনিটে সুযোগ আসে পর্তুগালের সামনে। বল জিতে ডানদিকে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে পাস দেন ব্রুনো ফার্নান্দেস। বক্সের ডান প্রান্ত থেকে তীক্ষ্ণ কোণ থেকে ডান পায়ে শট নেন রোনালদো, তবে দারুণ এক সেভে স্পেনকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।

১৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যান লামিনে ইয়ামাল। ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাম পায়ের বাঁকানো শট নিলেও অসাধারণ সেভ করেন ডিয়েগো কস্তা। তবে বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বলে ঝাঁপিয়ে পড়েন অ্যালেক্স বায়েনা। তিনি কাছাকাছি থেকে আরেকটি শট নিলেও আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান কস্তা। পরপর দুটি দুর্দান্ত সেভে নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে নিজের উপস্থিতির জানান দিলেন পর্তুগালের গোলরক্ষক।

৩০ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ সাজায় স্পেন। মার্ক কুকুরেয়ার পাস পেয়ে পেদ্রি লম্বা বল তুলে দেন পর্তুগালের পেনাল্টি বক্সে। সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন পাও কুবার্সি ও দানি ওলমো। ওলমো শেষ পর্যন্ত শট নিতে না পারলেও স্পেনের খেলোয়াড়দের তাৎক্ষণিক সমন্বয় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে সঠিক সময়ে এগিয়ে এসে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সম্ভাব্য বিপদ ঠেকিয়ে দেন পর্তুগালের গোলরক্ষক ডিয়েগো কস্তা।

৪১ মিনিটে কর্নার থেকে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল পর্তুগাল। কর্নার থেকে বল পেয়ে নুনো মেন্দেস ওয়ান-টু খেলেই আবার বল ফিরে পান। এরপর বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন তিনি। পথে পেদ্রো পোরোর মাথায় লেগে বলের দিক বদলে যায় এবং সেটি সোজা গিয়ে আঘাত হানে স্পেনের গোলপোস্টে। সৌভাগ্যই বলতে হবে, নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে এ যাত্রায় বেঁচে যায় স্পেন।

Advertisement

যোগ করা সময়েও কোনো গোল না হলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।

আইএন