বিনোদন

প্রার্থিতা ফেরত পেতে আপিল করলেন খসরু-সামসুল

দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে নির্বাচিত নেতৃত্ব ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি প্রকাশিত বৈধ প্রার্থীর তালিকায় সভাপতি পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সামসুল আলমের মনোনয়ন বাতিল করে।

Advertisement

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গতকাল (৭ জুলাই) তারা নির্বাচন আপিল বোর্ডের কাছে আপিল করেছে।

সামসুল আলম ও খোরশেদ আলম খসরুর দাবি, তাদের ক্ষেত্রে এমন একটি বিধান প্রয়োগ করা হয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে কার্যকর হয়েছে। তাদের ভাষ্য, যে বিধির কথা উল্লেখ করে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা অতীতের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি তারা আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছেন।

আপিল আবেদনে খোরশেদ আলম খসরুর বলেন, বিগত ২০২২ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশ চলচিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২-২০২৪ এর নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ঘোষিত ১৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখের মধ্যেই আমি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করি। নির্বাচনী তফসিলের সকল শর্ত প্রতিপালন পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও বিগত ২০ এপ্রিল ২০২২ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ চলচিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সংঘবিধির ৫(৫) বিধির বিধান উল্লেখ পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যা অযৌক্তিক।

Advertisement

এর আগে গত ৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। প্রকাশিত তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও সামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এর আগে গত ৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। প্রকাশিত তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও সামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর আইনি জটিলতা এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে টানা সাত বছর নতুন নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়নি।

 

এমআই/এলআইএ

Advertisement