দেশজুড়ে

আ.লীগ নেতাসহ অন্য ৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, কারাগারে এক

যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

Advertisement

একই সঙ্গে এ মামলায় অন্য দুইজন শিক্ষক ও সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আসামি ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে এবং শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

Advertisement

মামলার অভিযোগে জানা যায়, কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় তিন জন সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগদান করেন। কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন এবং ২০১৫ সালে মামলা দায়ের করেন।

সূত্র জানায়, আসামি টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রমে বাধা দেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাদী পুনরায় মামলাটি সচল করেন। তদন্ত শেষে যশোর সিআইডি পুলিশের এসআই বখতিয়ার রহমান তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল এবং সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পেয়ে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন। আসামিরা হলেন, চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী, সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন ও কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য তারিখে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অন্য তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

জামাল হোসেন/এসজেডএইচ/জেআইএম

Advertisement