সোশ্যাল মিডিয়া

হ্যামেলিন এখন ট্রাজেডি বিক্রি করেই চলে: উদয় রহমান

হ্যামেলিন হলো জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যের ভেজার নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর। যা বিশ্বখ্যাত রূপকথা ‘হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালা’র জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। এটি রাজধানী হানোভার থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এই শহরে ঘুরেছেন জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশি লেখক উদয় রহমান।

Advertisement

লেখক উদয় রহমান সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের আইডিতে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ সুর গল্পে উল্লেখিত এক শহরে ঘুরলাম। শহরের নাম হ্যামেলিন। ঘুরতে ঘুরতে কিছু অদ্ভুত ও ইন্টারেস্টিং তথ্যও পেলাম।

আরও পড়ুন উদয় রহমানের পোস্ট / ‘জার্মান বন্ধু আর্জেন্টিনার পতাকাটা গিফট করেছিল’

হ্যামেলিনে বুঙ্গেলোসেনস্ট্রাসে নামে একটা রাস্তা আছে, যেখানে দাদির মতো কঠিন বিধিনিষেধ, এ রাস্তায় সাতশ বছর ধরে গান, নাচ, মিউজিক সব নিষেধ। কারণ এই পথ দিয়েই বাচ্চাগুলোকে শেষবার হেঁটে যেতে দেখা গিয়েছিল। সাতশ বছর ধরে রাস্তাটি সুরবিহীন। বাচ্চাগুলো সত্যি সত্যি হারিয়ে গেলেও ইঁদুর আবার এ শহরে ফিরে এসেছিল।

‌‘Rattenfängerhaus’ যাকে বলে বাঁশিওয়ালার বাড়ি; সেটার গায়ে পাথরে খোদাই করা একটা লেখা আছে। তাতে একটা তারিখ: ২৬ জুন ১২৮৪। আর সংখ্যা: একশ তিরিশ। একশ তিরিশটা বাচ্চা। এখানে কেউ গুনে লিখে রেখেছিল। বাচ্চাগুলোর আসলে কি হয়েছিল কেউ জানে না। তাদের আর কখনো দেখা যায়নি।

Advertisement

আরও পড়ুন উদয় রহমানের ভাইরাল গল্প ‌‘সুর’ নিয়ে কেন তোলপাড়

হ্যামেলিন এখন এই ট্রাজেডি বিক্রি করেই চলে। শহরজুড়ে ইঁদুরের মূর্তি, দোকানে ইঁদুর-আকৃতির পেস্ট্রি, হাঁটার রাস্তায় প্লাজায় পিতলের ইঁদুর বসানো, প্রতি রবিবার প্লাজা চত্বরে অভিনেতারা গল্পটা অভিনয় করে দেখায়। ট্রাজেডিই তাদের শহরের গল্প, তাদের বাণিজ্য আর ঐতিহ্য।’

এসইউ