চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটার ঘটনায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Advertisement
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের পাশে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটা হচ্ছে। প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার পাহাড়ের একটি অংশ ইতোমধ্যে সমতল করে ফেলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ এপ্রিল পরিবহন দপ্তরের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রথম ধাপে প্রায় ১১ হাজার বর্গফুট এলাকায় ভবনের একটি অংশ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে এ ধাপের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও প্রায় ২২ হাজার বর্গফুট এলাকায় তিনতলা ভবন নির্মাণ করা হবে।
এদিকে পাহাড় কাটার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
Advertisement
এ বিষয়ে পরিবেশবিষয়ক সংগঠন আওয়ার গ্রিন ক্যাম্পাসের সভাপতি মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভবন নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। পরিবেশের ক্ষতি না করে বিকল্প স্থানে ভবন নির্মাণ করা যেত।’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের অধ্যাপক কামাল হোসাইন বলেন, ‘চট্টগ্রামের পাহাড়ের মাটি এমনিতেই ভঙ্গুর। পাহাড় কাটলে ভূমিধসসহ নানা পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। উন্নয়নকাজের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব পাহাড় এড়িয়ে বা প্রাকৃতিক ঢালের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা উচিত।’
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
কেজে/এএসএম
Advertisement