বেসরকারি খাতের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের তথ্য সংগ্রহের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ত্রৈমাসিকের পরিবর্তে প্রতি মাসে এসব ঋণের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
Advertisement
বৈদেশিক ঋণের প্রবণতা আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ, ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা মূল্যায়ন এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
আরও পড়ুন বিদেশি ব্যাংকের ঋণ কমলেও শক্তিশালী মূলধন ও তারল্যসার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০১৪ ও ২০২৩ সালে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী এতদিন ব্যাংকগুলো ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বেসরকারি খাতের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের তথ্য সংকলন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-রিটার্নস পোর্টালে জমা দিত। একই সঙ্গে ইডি-১ ও ইডি-২ ফরমের হার্ডকপি এবং সংশ্লিষ্ট ঋণচুক্তির দলিলও প্রতি ত্রৈমাসিক শেষে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হতো।
Advertisement
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি জুলাই মাস থেকে এসব তথ্য মাসিক ভিত্তিতে জমা দিতে হবে। প্রতি মাসের তথ্য পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত পাঁচটি আরআইটি ফরম পূরণ করে ই-রিটার্নস পোর্টালে আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি ইডি-১ ও ইডি-২ ফরমের হার্ডকপি এবং ঋণচুক্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও একই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগে জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা / তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ৭ শতাংশ সংকুচিত হতে পারেকেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, দেশের বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ চিত্র নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা মূল্যায়ন, কার্যকর অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন এবং ব্যালেন্স অব পেমেন্টেস ও ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন-সংক্রান্ত পরিসংখ্যান আরও নির্ভুলভাবে প্রস্তুতের জন্য এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ আরও কার্যকর হবে।
সার্কুলারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ বিষয়ে আগে জারি করা নির্দেশনার অন্যান্য বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত)-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ইএআর/কেএসআর
Advertisement