দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল প্রথম বহর। শনিবার রাতে দ্বিতীয় বহরের দলে ছিলেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। ঢাকা ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
Advertisement
বাশার বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের মানসিকতা বদলেছে। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার শুরুর দিকে লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের জায়গা ধরে রাখা। কিন্তু এখন দল সেই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো ২৩ বছর আগেও ছিল, এখনো আছে। অবশ্যই ২৩ বছর আগের লক্ষ্যটা এক রকম ছিল, এখনকার লক্ষ্যটা ভিন্ন। তখনকার প্রেক্ষাপট এক রকম ছিল, এখনকার প্রেক্ষাপট অন্য রকম। অবশ্যই, তখন তো আমরা যখন গেছি, আমি আগেও বলেছি, তখন আসলে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল টিকে থাকা। তবে আমরা শুধু টিকে থাকতে যাচ্ছি না, আমরা ভালো কিছু করতে চাই।’
দলের জন্য ইতিবাচক খবর হিসেবে দেখছেন লিটন কুমার দাসের স্কোয়াডে ফেরা। তবে পেসার নাহিদ রানাকে পাওয়া নিয়ে এখনও শঙ্কা রয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচক। শরিফুল ইসলাম সুস্থ হয়ে ফিরতে পারলে সেটিও দলের জন্য বড় স্বস্তি হবে বলে মনে করেন তিনি।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে বাশার বলেন, ‘আমাদের নিয়মিত সদস্য তিনজন বাইরে চলে গিয়েছিল, নাহিদ রানা, শরিফুল, লিটন। তাই লিটনকে ফিরে পেয়েছি, যা খুবই ভালো। নাহিদ রানাকে হয়তো পাব না। শরিফুলকেও যদি পাই, তাহলে সেটা আমাদের জন্য অনেক ভালো হবে। তবে লিটনের ফিরে আসা অবশ্যই ইতিবাচক লক্ষণ। লিটন ফিরে আসায় আমাদের ব্যাটিংটা একটু শক্ত হলো।’
অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সিরিজ হলেও দলের ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসী বলেই মনে করছেন প্রধান নির্বাচক। তার বিশ্বাস, এই সফরকে ক্যারিয়ারের স্মরণীয় অধ্যায়ে পরিণত করতে মুখিয়ে আছেন ক্রিকেটাররা। বাশারের ভাষায়, ‘আমার মনে হয়, সবাই খুব রোমাঞ্চিত। যাদের সঙ্গে দলের যতটুকু কথা হয়েছে, গেলে আরও ভালোভাবে কথা হবে। সবাই এখানে বিশেষ কিছু করে তাদের ক্যারিয়ারে মনে রাখার মতো কিছু করতে চায়। আমরা জানি যে চ্যালেঞ্জটা অনেক বেশি। অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া খুব শক্তিশালী দল। কিন্তু সবাই এমন কিছু করতে চায়, যেটা সারা জীবন মনে রাখতে পারবে, যেটা তাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন হতে পারে। আমার মনে হয়, সবাই খুব ইতিবাচক। জানি কাজটা কঠিন, অবশ্যই কঠিন। কিন্তু কাজটা করতে পারলে সবারই ভালো লাগবে।’
এসকেডি/আইএন
Advertisement