ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার তার বিজয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে এসেছে অতীতের কৃতিত্ব ও সফলতা। নেটিজেনরা তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পেতে চাইছেন।
Advertisement
মাহমুদ আলম সিফাত লিখেছেন, ‘পরীক্ষায় যারা নকল করতে চাচ্ছো, সাবধান হয়ে যাও।’
রাসেল রায়হান লিখেছেন, ‘অভিনন্দন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ‘পরীক্ষায় যারা নকল করতে চাচ্ছো, সাবধান হয়ে যাও’। মাহমুদ আলম সিফাতের ডায়ালগটা পারফেক্ট। আমাদের প্রজন্ম জানে।’
মুবতাছেম মারুফ লিখেছেন, ‘হেলিকপ্টার মিলন ইজ কামিং ব্যাক। ইন দিজ টাইম, দ্য বোর্ড এক্সাম পাসিং রেট ওয়াজ ৪০%। বি কেয়ারফুল স্টুডেন্টস।’
Advertisement
জব্বার আল নাঈম লিখেছেন, ‘শুভ কামনা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন। আপনার এই বিজয় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়—এটি জনগণের আস্থা, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের স্বপ্নের প্রতিফলন।’
তিনি লিখেছেন, ‘ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন একজন সাবেক সফল শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও প্রাজ্ঞ শিক্ষাবিদ। তাঁর নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, গুণগত মানোন্নয়ন ও নকলমুক্ত পরীক্ষার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল সময়োপযোগী ও সাহসী পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত। শিক্ষাকে তিনি কেবল পাঠ্যক্রমের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং নৈতিকতা, জবাবদিহিতা ও মানসম্মত শিক্ষার ভিত্তিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’
নাঈম লিখেছেন, ‘আজ যখন দেশের শিক্ষাখাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তখন তাঁর অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্ব নতুন আশার সঞ্চার করবে বলে বিশ্বাস করি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাঁর হাত ধরেই শিক্ষাক্ষেত্রে শুরু হবে নতুন ধারাবাহিকতা, ফিরে আসবে শৃঙ্খলা ও মান এবং এগিয়ে যাবে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা—দৃঢ় ও আলোকিত ভবিষ্যতের পথে। তাই ড. এহছানুল হক মিলনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহান দায়িত্ব অর্পণ করলে আমার বিশ্বাস জাতি উপকৃত হবে।’
আরও পড়ুনসোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভুয়া ফটোকার্ড’ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেনাজিয়া হাসান রসিকতা করে লিখেছেন, ‘সিরিয়াসলি! উনি শিক্ষামন্ত্রী হলে এমনটা হওয়া অসম্ভব না! অটোপাস! ব্যাঙের ছাতার মতো গোল্ডেন এ প্লাস! মজা বুঝাইবেনে মামু!’
Advertisement
এসইউ