চোখে দেখলে চা চামচ আর টেবিল চামচের মধ্যে খুব বেশি তফাত মনে হয় না। প্রতিদিন ডাল, তরকারি, চচ্চড়ি বা মাছ রান্না করতে সাধারণত বাঙালিরা চামচ মেপে মসলা দেয় না।
Advertisement
তবে বেকিংয়ে পরিপূর্ণ স্বাদ পেতে চামচের মাপের গুরুত্ব অনেক বেশি। চা চামচ ভেবে টেবিল চামচ ব্যবহার করলে বা টেবিল চামচের জায়গায় চা চামচ ব্যবহার করলে, রান্নার স্বাদ, গন্ধ এবং টেক্সচার নষ্ট হতে পারে।
মাপের দিক থেকে চা চামচ এবং টেবিল চামচের মধ্যে পার্থক্য আছে। এক চা চামচের পরিমাণ প্রায় পাঁচ মিলিলিটার, আর এক টেবিল চামচ প্রায় পনেরো মিলিলিটার। অর্থাৎ এক টেবিল চামচের মধ্যে তিন চা চামচ উপকরণ আসে। রান্নার ব্যালান্স ঠিক রাখার জন্য এই অঙ্কগুলো জানা জরুরি।
ভালো রান্নার গোপন সূত্র হলো সঠিক পরিমাপ। সব উপকরণ যদি নির্ধারিত পরিমাণে থাকে, তবেই পদটি স্বাদে, গন্ধে এবং রঙে নিখুঁত হয়।
Advertisement
চা চামচ ব্যবহার চা চামচ সাধারণত ব্যবহার করা হয় মসলা, হার্বস, বেকিং সোডা, বেকিং পাউডার, ভ্যানিলা এসেন্স বা লবণ মাপতে। এই ধরনের উপকরণ সামান্য বেশি বা কম হলে স্বাদে বড় পরিবর্তন আসে।
টেবিল চামচের ব্যবহারটেবিল চামচ ব্যবহার করা হয় তেল, মাখন, চিনি, সস বা মধু মাপতে। এগুলো মূল উপকরণের অংশ হওয়ায় সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
রান্নায় সামান্য কম-বেশি হলেও স্বাদ সামলে নেওয়া যায়। কিন্তু কেক বা পেস্ট্রির ক্ষেত্রে সঠিক মাপের গুরুত্ব অনেক। কেকের স্পঞ্জি টেক্সচার এবং ফুলে ওঠা সবই নির্ভর করে উপকরণের সঠিক পরিমাপের উপর। এক চা চামচের জায়গায় এক টেবিল চামচ দিলে উপকরণ তিনগুণ হয়ে গেলে কেক শক্ত, চ্যাপ্টা বা অতিরিক্ত মিষ্টি হয়ে যেতে পারে।
তাই রান্নায় শুধু হাতের দক্ষতা নয়, পরিমাণ জানাও দরকার। চা চামচ আর টেবিল চামচের পার্থক্য ছোট মনে হলেও রান্নার জগতে এর গুরুত্ব অনেক বড়। সঠিক মাপ ব্যবহার করলে পদটি স্বাদ, গন্ধে এবং রঙে একেবারে নিখুঁত হয়।
Advertisement
সূত্র: এনডিটিভি
আরও পড়ুন: বাসন পরিষ্কার করতে লেবুর সঙ্গে কী যোগ করবেন সেদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়ানোর ট্রিক
এসএকেওয়াই/