রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে ৬-৪ অ্যাগ্রিগেটে বিদায় নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। সেই ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা।
Advertisement
মূলত ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৭৮ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হ্যারি কেইনকে ফাউল করায়। সেই কার্ড নিয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়ে রিয়াল শিবির। ম্যাচ শেষে কোচ রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া বলেন, ‘খেলোয়াড়রা খুবই ভেঙে পড়েছে, বিশেষ করে যেভাবে আমরা হেরেছি। বায়ার্নকে অভিনন্দন, কিন্তু আমরা চাইতাম তারা আমাদের ভিন্নভাবে হারাক। এটা এক অজানা লাল কার্ড, কেউ বুঝতে পারেনি। এমন একটি সিদ্ধান্ত আমাদের সব পরিশ্রম নষ্ট করে দিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘এমন ঘটনায় একজন খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করা কারোই বোধগম্য বোঝে না। তখনই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। এটা অন্যায়, এবং আমরা খুব কষ্ট পেয়েছি। খেলোয়াড় ও সমর্থকদের নিয়ে আমি গর্বিত, কিন্তু এই বছর ‘লা ডেসিমোসেক্সটা’ (১৬তম শিরোপা) জিততে পারব না, এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে।’
রেফারি স্লাভকো ভিনসিকের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আরবেলোয়া। তার মতে, রেফারি হয়তো বুঝতেই পারেননি এটি কামাভিঙ্গার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, ‘বায়ার্নের খেলোয়াড়রা মনে করিয়ে দেওয়ার পরই হয়তো তিনি কার্ড দেন। এটা কোনোভাবেই হলুদ কার্ড নয়। যদি তিনি জানতেন না এটি দ্বিতীয় কার্ড, তাহলে সেটি আরও বড় ভুল। এতে একটি দারুণ ম্যাচ নষ্ট হয়ে গেছে।’
Advertisement
রিয়ালকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলতে না পারায় প্রশ্ন উঠেছে কোচের ভবিষ্যত নিয়েও। নিজের ভবিষ্যত নিয়ে সরাসরি মন্তব্যও করেছেন আরবেলোয়া, ‘আমি মোটেও চিন্তিত নই। ক্লাব যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটি আমি মেনে নেব। আমি কষ্ট পেয়েছি নিজের জন্য নয়, রিয়াল মাদ্রিদের জন্য।’
আইএন