করলা স্বাদে তেতো হলেও স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর একটি সবজি। বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ভূমিকা নিয়ে অনেকেই জানেন। কিন্তু করলা খাওয়ার সময় অনেকেই দ্বিধায় পড়েন - ভাজি নাকি ভর্তা, কোনভাবে খেলে উপকার পাওয়া যায়?
Advertisement
আসলে করলার মূল উপকারিতা নির্ভর করে এটি কীভাবে রান্না করা হচ্ছে তার ওপর। কারণ রান্নার পদ্ধতিতে পুষ্টিগুণের পরিবর্তন হতে পারে।
করলা ভাজিকরলা ভাজি সাধারণত তেলে রান্না করা হয়। এতে স্বাদ কিছুটা ভালো হয়, কিন্তু অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করলে ক্যালোরি বেড়ে যায়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস বা ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য বেশি তেল উপযুক্ত নয়। তবে অল্প তেলে রান্না করলে করলার পুষ্টিগুণ অনেকাংশে বজায় থাকে।
করলা ভর্তাঅন্যদিকে, করলা ভর্তা সাধারণত সেদ্ধ বা সেঁকা করলা দিয়ে তৈরি করা হয়, যেখানে তেলের ব্যবহার তুলনামূলক কম। এতে করলার প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ বেশি বজায় থাকে। বিশেষ করে ফাইবার ও কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি কার্যকরভাবে পাওয়া যেতে পারে।
Advertisement
তাহলে কীভাবে খাবেন?ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে করলা বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই কম তেলে বা ভর্তা আকারে খেলে এটি তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
তবে শুধু রান্নার ধরন নয়, পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত করলা খেলে পেটের অস্বস্তি বা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।
সব মিলিয়ে বলা যায়, স্বাস্থ্যগত দিক থেকে করলা ভর্তা সাধারণত ভাজির তুলনায় একটু বেশি উপকারী, কারণ এতে তেলের ব্যবহার কম থাকে। তবে সঠিকভাবে অল্প তেলে রান্না করা ভাজিও স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং, ইউএসডিএ নিউট্রিশন ডেটা, মায়ো ক্লিনিক
Advertisement
এএমপি/জেআইএম