চাঁদপুরে কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের বিড়ম্বনায় পড়েছে জেলাবাসী। দৈনিক ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ জনজীবন। বিশেষ করে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা।
Advertisement
চাঁদপুরে এ বছর ৭৪টি কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষা সামনে রেখে এমন লোডশেডিংয়ে বিপাকে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা।
এসএসসি পরীক্ষার্থী রুনা আক্তার বলেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। প্রচণ্ড গরমে ঘুমের সমস্যা হওয়ায় মনোযোগ কমে যাচ্ছে, যা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরীক্ষার সময় হলে বিদ্যুৎ চলে গেলে লেখালেখিতে সমস্যা হতে পারে। এতে আমাদের ফলাফলেও বিরূপ প্রভাব পড়বে।
চাঁদপুর শহরের হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল হক সর্দার বলেন, এখন আমাদের একটা প্রত্যাশা, পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যাতে বিদ্যুৎ না যায়। যদি বিদ্যুৎ সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মনোযোগের বিঘ্ন হবে।
Advertisement
মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. মুকবুল হোসেন বলেন, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রগুলোর পক্ষ থেকে আইপিএসসহ বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবুও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ কাটছে না। তারপরও আমাদের প্রত্যাশা থাকবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যাতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট না হয়।
চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ বলেন, বিদ্যুৎ সমস্যা নিয়ে কেন্দ্রগুলোতে জেনারেটর দেওয়ার সক্ষমতা আমাদের নেই। তবে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা রয়েছে, ওই কেন্দ্রে আইপিএসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাকি যেসব কেন্দ্রে আইপিএস রাখা সম্ভব নয়, সেখানে হয়তো আলোর ব্যবস্থার জন্য মোমবাতি রাখা হবে। এছাড়া আমাদের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রীক অন্য কোনো জটিলতা নেই।
শরীফুল ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম
Advertisement