মহাকাব্য রচিত না হলেও তাকে নিয়ে আজ অনেক কথাই হচ্ছে। তার ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক কথা বলার আছে। একটা সময় মাশরাফি বিন মর্তুজার খুব ভালো পার্টনার ছিলেন ডানহাতি এক্সপ্রেস বোলার রুবেল হোসেন। শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে তাকে বিচার করা ঠিক হবে না। বিশেষ করে লাল বলে। টেস্ট ক্রিকেটে তার পরিসংখ্যান একদমই সাদামাটা; ২৭ টেস্টে উইকেট মোটে ৩৬টি।
Advertisement
সে তুলনায় সাদা বলে রুবেল হোসেন বেশ উজ্জ্বল। ১০৪ ম্যাচে ১২৯ উইকেট। সেরা বোলিং ২৬ রানে ৬ উইকেট। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি হ্যাটট্রিকও আছে। সাদা বলে ঔজ্জ্বল্য ছড়ালেও ৫০ ওভারের তুলনায় ২০ ওভারের ফরম্যাটে রুবেল ততটা কার্যকর হতে পারেননি। তার প্রমাণ, ২৮ ম্যাচে ২৮ উইকেট।
তবে রুবেল হোসেনকে নিয়ে কথা বলতে গেলে শুধু পরিসংখ্যান মাথায় রেখে বিশ্লেষণ করলেই চলবে না। ক্রিকেটার, পেসার রুবেল হোসেনের ক্যারিয়ার নিয়ে কিছু কথা বলতেই হবে।
ফাস্ট বোলার রুবেল কত ম্যাচে কত উইকেট শিকার করেছেন, কতবার ৪-৫ উইকেট দখল করেছেন? এসব দিয়ে বিচার না করে রুবেলকে মূল্যায়ন করতে হবে আসলে ম্যাচ ‘সিচুয়েশন’ দেখে।
Advertisement
রুবেল হোসেনের ম্যাচপিছু উইকেট তেমন নয়। টেস্ট আর টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচপ্রতি উইকেট একটির মতো। ওয়ানডেতে সেটা বেড়ে ম্যাচপ্রতি সোয়া উইকেট করে পেয়েছেন। কিন্তু তার বলের আসল কার্যকারিতা অন্য জায়গায়। সেটা কী?
বেশির ভাগ সময় দেখবেন, রুবেল ১০ ওভারের স্পেলে সে অর্থে খুব ভালো বোলিং করেননি। এমন ম্যাচ খুব কম আছে, যেখানে রুবেল বল হাতে বারুদ ছড়িয়েছেন। তার প্রচণ্ড গতি, বিষাক্ত সুইং আর বিপজ্জনক বাউন্স সামলাতে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নাভিঃশ্বাস উঠেছে- এমন নজির তেমন একটা নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, রুবেল ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভাইটাল ব্রেক থ্রু দিয়ে দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন কিংবা প্রতিপক্ষের হাত থেকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে দল জেতাতে ভূমিকা রেখেছেন।
আজ (২০ এপ্রিল, সোমবার) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের দিনে তাকে নিয়ে অনেক কথা, অনেক লেখার মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই উঠে আসছে তেমন একটি ঘটনা।
সময়কাল ২০১৫ সাল। সে বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে নিজের শেষ ওভারে দুই ইংলিশ স্টুয়ার্ট ব্রড আর জেমস অ্যান্ডারসনকে পরপর দুই বলে বোল্ড করে বাংলাদেশকে ১৫ রানের ঐতিহাসিক জয় উপহার দিয়েছিলেন রুবেল।
Advertisement
ম্যাচে বাংলাদেশ পায় ১৫ রানের ঐতিহাসিক জয়। ৯.৩ ওভারে ৫৩ রানে ৪ উইকেট দখলের ম্যাচে ৯৯ নম্বর ওভারের (নিজের শেষ ওভার) প্রথম ৩ বলে (১ম বলে স্টুয়ার্ট ব্রড এবং তৃতীয় বলে জেমস অ্যান্ডারসনের উইকেট উপড়ে) বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে টাইগারদের জয়ের নায়ক বনে যান রুবেল।
আজ তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের দিনে তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের একমাত্র হ্যাটট্রিক এবং এক ম্যাচে পাওয়া ৬ উইকেট শিকারের ঘটনা ছাপিয়ে ওই ম্যাচ জেতানো বোলিং নিয়েই হচ্ছে যত কথা।
কারণও আছে। ওই দুটি বলই যে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা দুই এক্সপ্রেস ডেলিভারি হয়ে আছে! রুবেল হোসেনকে নিয়ে লিখতে গিয়ে অনেক কথার ভিড়ে একটি ঘটনা মনে পড়ল, যা না লিখলে আমার রুবেল হোসেন দর্শন অপূর্ণ থেকে যাবে।
রুবেলের একমাত্র ওয়ানডে হ্যাটট্রিকসহ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেট শিকার আর ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে দুই ইংলিশ ফাস্ট বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসনকে আউট করে ম্যাচ জেতানোর গল্প ছাড়া আর কী এমন গল্প আছে, যাতে রুবেলকে নিয়ে লেখা অপূর্ণ থেকে যাবে?
শুনে অবাক হবেন! বেশির ভাগ রুবেল ভক্ত ও ক্রিকেট অনুরাগীদের অনেকেরই তা অজানা। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট, বিশেষ করে ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকা কারো কারো জানা। হয়তো সে ঘটনার কথা ভেবে রুবেল হোসেনের মন খারাপ হতেও পারে। মন খারাপ হওয়ার মতোই গল্প।
ঘটনাটি আজ থেকে একযুগ আগের। দিনটি ছিল ২০১৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। বিকেএসপি ৩ নম্বর মাঠে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে গাজী ট্যাংকের হয়ে পরপর তিন বলে ব্রাদার্সের তিন ব্যাটার সোহরাওয়ার্দী শুভ, মেহরাব হোসেন জুনিয়র ও এহসানুল হককে আউট করে ক্লাব ক্রিকেটে নিজের প্রথম ও একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেন রুবেল হোসেন।
ব্রাদার্স ইউনিয়ন সেবার কাগজে-কলমে অন্যতম সেরা দল। আজকের বিসিবি প্রধান ও দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সব সময়ের সেরা ওপেনার এবং অন্যতম সফল ব্যাটার তামিম ইকবাল তখন ব্রাদার্সের অধিনায়ক এবং ওই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। ঘটনাটি তামিমের শতরান (৯২ বলে ১০০) করার অনেক পরে; ব্রাদার্স ইনিংসের একদম শেষ ভাগে।
রুবেল হোসেনের মতো নামকরা বোলার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন ব্রাদার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন, খুব স্বাভাবিকভাবেই তামিম ইকবালের সেঞ্চুরির পাশাপাশি ওই হ্যাটট্রিকের ঘটনাও পরদিন মিডিয়ায়, বিশেষ করে দৈনিক পত্রিকাগুলোয় ফলাও করে প্রচার হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তার ছিটেফোঁটাও হয়নি। ডেইলি স্টার ছাড়া বাংলাদেশের প্রচারমাধ্যমে রুবেল হোসেনের সেই দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের ঘটনাটি আসেইনি।
এমনটাও সম্ভব? সম্ভব এই কারণে যে, এখনকার মতো প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ কভার করতে গণ্ডায় গণ্ডায় সাংবাদিক তখন বিকেএসপি যেতেন না। আজকাল টিভি রিপোর্টাররা নিজ নিজ মিডিয়া হাউজের গাড়িতে চেপে ক্যামেরা-ক্রু নিয়ে ম্যাচ কভার করে আসেন। তখন ওসব ছিল না তেমন। খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছাড়া বিকেএসপি গিয়ে মিডিয়া হাউজগুলোর প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ কাভার করার রেকর্ডও ছিল কম।
প্রায় ১৩ বছর আগে বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে হওয়া সেই ম্যাচ কভার করতে উপস্থিত ছিলেন দেশের ক্রিকেটের তিন সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক এবং কাকতালীয়ভাবে রুবেল হোসেনের হ্যাটট্রিকের ঘটনাটি ওই তিন সিনিয়র সাংবাদিকের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল।
বলতে দ্বিধা নেই, সেই তিন সাংবাদিকের একজন আমি। তখন আমি দৈনিক সকালের খবরে কাজ করতাম। সঙ্গে ছিলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সাবেক স্পোর্টস ইনচার্জ সাঈদউজ্জামান এবং প্রথম আলোর বর্তমান ক্রীড়া সম্পাদক, তখনকার সিনিয়র রিপোর্টার তারেক মাহমুদ মনি।
আমার অপর দুই ভ্রাতৃ ও বন্ধুপ্রতিম ক্রীড়া সাংবাদিকের উটকো প্রশংসা করছি না। বাংলাদেশে এখনো যে ক’জন সিনিয়র মোস্ট ক্রিকেট লেখক ও রিপোর্টার নিয়মিত মাঠে গিয়ে রিপোর্ট করেন, আমরা তিনজনই সেই দলের ফ্রন্টলাইনার। দেশে ও বিদেশে গড়পড়তা ৪-৫টি করে বিশ্বকাপসহ শত শত আন্তর্জাতিক ম্যাচসহ দেশের হয়ে সম্ভবত সর্বাধিক ক্রিকেট ম্যাচ কাভার করা রিপোর্টারদের তালিকায়ও সাঈদ, মনি আর আমি আছি।
কিন্তু একটি হ্যাটট্রিকের ঘটনা চোখ এড়িয়ে যায়নি কখনো। মনে হলে, শুধু একটি প্রশ্নই ওঠে, ‘আচ্ছা, আমরা তিনজন সিনিয়র সাংবাদিক এমন হ্যাটট্রিকের ঘটনা কী করে মিস করেছিলাম?’ শুনে অবাক হবেন, আমরা তিনজন সাংবাদিকই শুধু নই, সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। যিনি মিডিয়া কর্মী নন- সাবেক ক্রিকেটার, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, নির্বাচক এবং বর্তমানে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তিনিও কিন্তু ওই হ্যাটট্রিকের ঘটনা মিস করে গেছেন। তারও চোখে ধরা পড়েনি যে পেসার রুবেল হোসেন হ্যাটট্রিক করেছেন।
সেই দিনের গল্পটা নতুন করে শোনার পর নিশ্চয়ই লজ্জা পেতে চাইবেন তিনি। হয়তো বলবেন, ‘আহ! বাবু ভাই, এক যুগের বেশি সময় পর এ ঘটনাটি না লিখলেই পারতেন। লিখে কেন যে লজ্জা দিলেন?’ নির্বাচক হিসেবে মাঠে বসে থেকে জাতীয় দলের পেসারের হ্যাটট্রিকের ঘটনাটি বেমালুম চোখের বাইরে, মনের বাইরে থেকে গিয়েছিল কিভাবে? হয়তো তা ভেবেই লজ্জায় ডুবতে চাইবেন হাবিবুল বাশার।
ক্রিকেটার, অধিনায়ক আর তখনকার নির্বাচক- আজকের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন একা নন। আমি, সাঈদ আর মনি একসঙ্গে হলে মাঝেমধ্যেই কথাটি উঠে আসে। আর আমরা লজ্জায় ডুবি আর বলি- একজন না হয় মিস করে যেতেই পারি; কিন্তু তিন-তিনজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক একসঙ্গে কী করে একটি হ্যাটট্রিকের ঘটনা মিস করে যায়?
ইতিহাস জানাচ্ছে, ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ক্লাব ক্রিকেটের সেই হ্যাটট্রিকের ঠিক দেড় মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও একটি অনবদ্য হ্যাটট্রিক করেন রুবেল। ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরপর তিন বলে তিন কিউই ব্যাটার কোরি অ্যান্ডারসন (বোল্ড), ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (ক্যাচ) ও জিমি নিশামকে (ক্যাচ) আউট করে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম এবং বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে শাহাদাত হোসেন রাজিব, আব্দুর রাজ্জাক, তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের সঙ্গে একই কাতারে হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব দেখান তিনি।
আজ একমাত্র ছেলে আয়ানকে নিয়ে শেরে বাংলার প্রেস বক্সে অবশ্য সে গল্প ওঠেনি। হয়তো উঠবেও না কোনোদিন। কারণ গল্পটা জানি আমরা তিন সাংবাদিক আর তখনকার নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন।
ভাবছেন, ঘটনা ঘটার এক যুগ পরেও সে হ্যাটট্রিকের গল্প অজানা সবার? এও সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব- এই কারণে যে, আমাদের হাত ধরেই রুবেলের ওই হ্যাটট্রিকের ঘটনা নিয়ে নানা গল্প আর রটনা তৈরির সম্ভাবনা ছিল; কিন্তু আমরা ৪ জনই যে হ্যাটট্রিকের ঘটনা মিস করে গেছি!
এটুকু শুনে নির্ঘাত ভাবছেন, নিশ্চয়ই আমরা খেলা দেখা বাদ দিয়ে খোশগল্পে মেতে ছিলাম কিংবা লাঞ্চ করতে বাইরে গিয়েছিলাম। আসলে তা নয়। সাঈদউজ্জামান, তারেক মাহমুদ মনি আর আমি এবং নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনসহ আমরা ৪ জন বহাল তবিয়তে বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠের ভিআইপির নিচতলায় আম্পায়ার্স রুমের পাশে বসে ম্যাচ কভার করছিলাম।
আসলে আমাদের ৪ জনের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার একটি কারন ছিল। কারনটি হলো, ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে রুবেল হোসেন এক ওভারে পরপর তিন বলে হ্যাটট্রিক করেননি। হ্যাটট্রিকটি ছিল ২ ওভারে। প্রথম উইকেটটি ছিল তার নবম ওভারের (ব্রাদার্স ইনিংসের ৪৭.৬) শেষ বলে। তারপরে ওভারটি করেছেন আরেক বোলার। সেই ওভারের পরের ওভার, মানে ৫০ নম্বর ওভারের প্রথম ও দ্বিতীয় বলে পরপর ব্রাদার্স ব্যাটার মেহরাব জুনিয়র আর এহসানুল হককে আউট করে তিন বলে পরপর তিন উইকেটের পতন ঘটিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রুবেল।
কিন্তু মাঝখানে অন্য বোলারের করা এক ওভারের পরের ২ বলে ২ উইকেট শিকারেই ঘটে যায় বিপত্তি। সেটা আর কেউ আমলে আনিনি। আর তাতেই দিনের আলোয় করা রুবেল হোসেনের হ্যাটট্রিকের ঘটনাটি আমাদের মন ও চোখ এড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত যা বাংলাদেশের মিডিয়ায়ও সেভাবে আসেনি (একমাত্র ডেইলি স্টারে নিউজ হয়েছিল)।
স্যরি রুবেল। আপনার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের দিনে আপনার কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি। দিন শেষে আমরা সংবাদকর্মীরাও রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ। আমাদেরও ভুল হতে পারে। আমাদের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।
অজুহাত নয়, আজকাল বল-টু-বল কমেন্ট্রি হয় ক্রিকেটের ওয়েবসাইটগুলোয়। তাই মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে নির্ভুলভাবে ম্যাচ মনিটর ও ম্যাচ রিপোর্ট করা সম্ভব। রুবেলের হ্যাটট্রিকের ম্যাচ যে সময় হয়েছে, তখন বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে বল-টু-বল কমেন্ট্রি ছিল না। তাই রুবেল যে ম্যাচে ৩৭ রানে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন, সেটাই ফলাও করে প্রচার হয়েছে। হ্যাটট্রিকের ঘটনাটি চাপা পড়ে যায়। চাপা পড়েই আছে। আমি দায় মোচনের চেষ্টা করলাম।
এআরবি/আইএইচএস/