প্রথম ম্যাচ হারার কারণে সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। সোমবার এমন বাঁচা মরার লড়াইয়েই জ্বলে ওঠেন টাইগার পেসার নাহিদ রানা। একের পর এক গোলার মতো ডেলিভারিতে তুলে নেন নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেট।
Advertisement
নাহিদ রানাকে সামলাতে না পেরেই ২০০ এর আগেই গুটিয়ে যায় কিউইরা। এরপর তানজিদ তামিম, নাজমুল হোসেন শান্তদের ব্যাটিংয়ে সহজ জয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নাহিদ রানা টানা এত গতিতে বোলিং করার বিষয়ে কথা বলেন ম্যাচ শেষে।
প্রথম স্পেলের প্রথম বলে হেনরি নিকোলসকে ফেরান নাহিদ। সেই ডেলিভারিটা ছিল ঘণ্টায় ১৪৪.৬ কিলোমিটার গতির। পরের উইকেটটা ছিল ১৪৬.৮ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে। পরের ৩টি উইকেট নেওয়া ডেলিভারিও ছিল ১৪০ কিলোমটারের বেশি গতির। আর ১০ ওভারের কোটার শেষ বলটার গতি ছিল ১৪৫.৯।
সকাল ১১টায় শুরু হয়েছিল ম্যাচ। দুপুরের গনগনে সূর্যটা যখন মাথার উপর, তখন ফিল্ডিং-বোলিং করেছে বাংলাদেশ। সারাদিন রোদের কড়া তাপ আর গরমে এমনিতেই সবার অবস্থা কাহিল। এরপর ৫০ ওভার ফিল্ডিং করার সঙ্গে ১০ ওভার বোলিং করা নিশ্চিতভাবেই খুবই চ্যালেঞ্জিং কাজ। কীভাবে টানা ১০ ওভার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমন গতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন নাহিদ রানা!
Advertisement
এই ডানহাতি পেসার উত্তর, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ ফিট রাখছে। আমি আমার ফিটনেস নিয়ে প্র্যাকটিসের বাইরে কিংবা যখন প্র্যাকটিস চলে তখন ফিটনেস ট্রেনারের সাথে কাজ করি এবং তাদের সাথে কথা বলি যে কীভাবে নিজের ফিটনেসটা ধরে রাখা যায়। কিংবা আরও বাড়ানো যায় যাতে আমার ম্যাচের সময় বুঝতে পারি বোলিং করতেছি কখনও, ক্লান্ত হচ্ছি না। এই জিনিসগুলোর জন্য অফ টাইমে যে জিনিসগুলো করা লাগে সেগুলো করার চেষ্টা করি।’
আজ ৫ উইকেটের ৩টিই নাহিদ রানা নিয়েছেন ওভারের প্রথম বলে। মিডল ওভারে তিনিই নিউজিল্যান্ডের কোনো জুটিকে বড় হতে দেননি। প্রথম বলকে ঘিরে আলাদা কোনো পরিকল্পনা ছিল কিনা প্রশ্নে রানা বলেন, ‘আমি সবসময় চেষ্টা করি দলের জন্য পারফর্ম করার। সেটা হতে পারে একটা স্পেল, হতে পারে একটা ওভার। যেকোনো সময় হতে পারে, আমি সবসময় চেষ্টা করি। আমি যদি দলকে জেতানোর জন্যে একটা ওভারও ভালো করতে পারি, ওই ওভারটা যদি ইমপ্যাক্ট ফেলে, আমি খুশি। আমার কাছে উইকেট নেওয়ার চাইতে দলকে জেতাতে পারছি কিনা, সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
এসকেডি/এমএমআর
Advertisement