বল হাতে সময়টা বেশ ভালোই যাচ্ছে নাহিদ রানার। পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে গতির ঝড় বইয়ে আসার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও বাংলাদেশের হয়ে আগুন ঝড়াচ্ছেন। রানার ফাইফারেই সোমবার নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে টাইগাররা।
Advertisement
৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়া রানা বল হাতে যতটা ভয়ঙ্কর, কথা বলতে গেলে ততটাই সরল। দলের পরিস্থিতি মিটিয়ে বোলিং করা এবং চ্যালেঞ্জ নিতেই ভালোবাসেন এই পেসার।
পিএসএল খেলে আসার পর নিশ্চিতভাবেই মিরপুরে পেয়েছেন ভিন্ন ধরনের উইকেট। দুই জায়গার উইকেটে পার্থক্যে মানিয়ে নেওয়া চ্যালেঞ্জিং কিনা প্রশ্নে নাহিদ রানা বলেন, ‘চ্যালেঞ্জিং বলতে… আমি সবসময় চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি এবং আমি এটা উপভোগ করি। এরকম আলাদা করে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ বোধ করি নাই। আমি শুধু উপভোগ করছি এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী দলের চাহিদা মোতাবেক বোলিং করার চেষ্টা করছি।’
গত মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর আজ আবারও পাঁচ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম ১০ বা তার কম ওয়ানডেতে একাধিক ফাইফার নেওয়া দ্বিতীয় বোলার তিনি। এর আগে প্রথম ৯ ম্যাচে ৩ ফাইফার নিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। কোন ফাইফার বেশি উপভোগ করেছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সবগুলোই আমার কাছে স্পেশাল এবং প্রত্যেকটা উইকেটই আলহামদুলিল্লাহ আমার কাছে ভালো লাগে। একজন বোলারের কাছে উইকেট কোনোটাই কম বেশি থাকে না। আলহামদুলিল্লাহ আমি টিমের জন্য ইমপ্যাক্টফুল পারফর্ম করতে পারছি। আমার কাছে সবগুলাই একই রকম মনে হয়।’ আধুনিক ক্রিকেটে পেসারদের জন্য রান আটকানো ও উইকেট নেওয়া—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ‘আমার কাছে যদি মনে হয় রান আটকালে আমার টিমের জন্য ইমপ্যাক্টফুল পারফর্ম হবে কিংবা উইকেট নিলে পরিস্থিতি বদলাবে—তখন সেই অনুযায়ী বোলিং করা উচিত বলে আমি মনে করি।’
Advertisement
ম্যাচে তার বোলিংয়ে শর্ট লেন্থ, গুড লেন্থ ও ইয়র্কারের মিশ্রণ দেখা গেছে। নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনায় আটকে থাকেন না বলেও জানিয়েছেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যখন যেটা পরিস্থিতি চায়, সেটাই করার চেষ্টা করছি। যখন মনে হয়েছে শর্ট অফ লেন্থে করা উচিত, তখন সেটা করেছি। যখন মনে হয়েছে গুড লেন্থে করা উচিত, সেটা করেছি। আবার যখন মনে হয়েছে ইয়র্কার প্রয়োজন, টিমের জন্য একটা উইকেট দরকার—সেই জিনিসটাই করার চেষ্টা করেছি।’
এসকেডি/এমএমআর