ক্যাম্পাস

নিম্নমানের খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা, আশ্বাসেই আটকা সমাধান

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) আবাসিক হলগুলোর খাবার নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ নতুন কিছু নয়। তবে সম্প্রতি বিজয় ২৪ হলের খাবার নিয়ে অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করেছে। হল প্রশাসনকে একাধিকবার জানানো হলেও শুধু আশ্বাস দিয়েই দায় সেরেছে। ফলে কার্যকর ও স্থায়ী কোনো সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানটিনে নানা ধরনের সমস্যা বিরাজ করছে। নতুন ম্যানেজার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেছে বলে তারা দাবি করেন। পঁচা ও বাসি খাবার পরিবেশন, সকালের নাস্তায় ডালভাজিতে পাতলা ডাল মিশিয়ে পরিমাণ বাড়ানো, সদ্য রান্না হ‌ওয়া খাবারে পঁচা মাছের উপস্থিতি, খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়া—এসব অভিযোগ নিয়মিতই উঠে আসছে।

এছাড়াও প্রতিদিন প্রায় একই ধরনের খাবার পরিবেশন করা হয়। এতে বৈচিত্র্যের অভাব ও নিম্নমানের রান্নার কারণে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে গড়ে ওঠা কিছু অস্বাস্থ্যকর হোটেলে খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। 

অনেক শিক্ষার্থী জানান, একাধিকবার বিষয়টি ক্যানটিন ম্যানেজার ও হল প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে খাবারের মানে দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন আসছে না।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়টির বিজয় ২৪ হলের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘আমার হলের খাবার যদি টানা সাতদিন দুইবেলা করে আমাদের হলের অভিভাবক প্রভোস্ট স্যার, আর ভার্সিটির অভিভাবক ভিসি স্যারকে খাওয়াতে পারতাম তাহলে খুবই চমৎকার ফিল করতাম। স্যারদের কাছে যদি এই আবদার নিয়ে যাই ওনারা কি আমার এই ছোট্ট আবদার পূরণ করবেন?’

এ বিষয়ে ক্যানটিন ম্যানেজার মো. ইউনুস বলেন, আমি চাই সব সময় ভালো খাবার দিতে। সামনে এ বিষয়ে আমি আরও তদারকি করবো। 

ক্যানটিনের নিম্নমানের খাবার নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জাহিদুর রহমান বলেন, অভিযোগগুলো সমাধানের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। হলের সিনিয়র শিক্ষার্থীরা এরই মধ্যে ক্যানটিন ম্যানেজারকে বিষয়টি জানিয়েছে।

এমডি‌এস‌এ/এমএমকে

Advertisement