জ্বালানি সংকটের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন টেলিকম সেবা ও নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে আগামীকাল বুধবার যৌথসভায় বসছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
Advertisement
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিটিআরসি এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘টেলিকম স্টেকহোল্ডারদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার পরিপ্রেক্ষিতে টেলিকম নেটওয়ার্ক সচল রাখতে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিতের বিষয়ে আগামী ২২ এপ্রিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন অপারেটর, টাওয়ারকো অপারেটর এবং অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস বাংলাদেশ (এমটব)-এর সঙ্গে বিটিআরসির একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ২৩ এপ্রিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পিজিসিবি, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিসমূহ এবং টেলিকম সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের সঙ্গে আরেকটি যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় টেলিকম খাত সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সংকটজনিত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুনটেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি সৌদি থেকে এক লাখ টন ক্রুড নিয়ে বাংলাদেশের পথে ‘এমটি নিনেমিয়া’
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বৈশ্বিক জালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ডাটা সেন্টার ও কোর নেটওয়ার্ক সাইটসমূহে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি ও লোডশেডিং মুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম জোরদার করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বরাদ্দ নিশ্চিকরণের ব্যবস্থা নিতে গত ১২ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পত্র প্রেরণ করে বিটিআরসি। ওই পত্রের গুরুত্ব বিবেচনায় গত ১৩ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ কর্তৃক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ ও সব জেলা প্রশাসক বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়।’
Advertisement
বিটিআরসি জানায়, গত ২০ এপ্রিল মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানিসমূহের জ্বালানি পরিবহন এবং টাওয়ার সাইটসমূহে রক্ষণাবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বিটিআরসি থেকে পুনরায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ইএইচটি/কেএসআর