আগামী বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসের দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
Advertisement
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এ কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. আমানুল্লাহ বলেন, ২০২৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট বলতে কিছু থাকবে না বলে আমরা আশা করছি। আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগার কারণ, সেশনজটটা শুরু হয়েছে সেই ২০১৬ সাল থেকে। পরবর্তী সময়ে করোনা মহামারি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ঘটনার কারণে একটু একটু করে বেড়ে সেশনজট আজকের এ অবস্থায় এসেছে। তবে আগামী বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে সেশনজটকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি।
সেশনজট নিয়ন্ত্রণের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, গত দুই বছরে আমরা ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়েছি। তাই পূর্বের যে সেশনজট ছিল, সেটা প্রায় পরিসমাপ্তির পথে। আগামী জুন নাগাদ ৬০-৭০ শতাংশ সেশনজট আমরা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে পারবো।
Advertisement
বর্তমানে পুরো দেশে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রায় আড়াই হাজার কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ৮৮০টি কলেজে স্নাতক কোর্স চালু আছে। এত বিশালসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিংহভাগেই মানসম্মত পড়াশোনা হচ্ছে না।
এ বাস্তবতা মেনে নিয়ে ড. আমানুল্লাহ বলেন, গত ১২ বছরে কোনো বাছবিচার ছাড়াই আমরা বিভিন্ন অঞ্চলের কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু করেছি। অনেক কলেজেই ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা এবং মানসম্মত ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। এ মুহূর্তে আমরা এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছি। যেসব কলেজ সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না, সেগুলো আমরা বন্ধ করে দেবো।
এদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথমবর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভাগীয় ও জেলা শহরের নির্ধারিত ১৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।
এএএইচ/এএমএ
Advertisement