২০১৪ সালে অভিষেক, এরপর এখন পর্যন্ত ১৪০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ইশ সোধি। নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে এই ফরম্যাটে তার চেয়ে বেশি কেউ ম্যাচ খেলেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আরেক স্পিনার মিচেল স্যান্টনার খেলেছেন ১৩৮ ম্যাচ। তবে এর একটিও বাংলাদেশের মাটিতে খেলেননি তিনি।
Advertisement
অথচ ২০১৩ সালে চট্টগ্রামেই টেস্ট অভিষেক হয় সোধির। তখন চিটাগং ও চট্টগ্রাম নাম থাকলেও এখন বন্দরনগরীকে ডাকা হয় শুধু চট্টগ্রাম নামে। এই বদল কেন সেটা জানতে চান সোধি, ‘এখানে ফিরতে পারা দারুণ ব্যাপার। তবে যেটা চিটাগং ছিল সেটা এখন চট্টগ্রাম। কাউকে আমাকে বলতে হবে, কেন নাম বদলে গেলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আগে বাংলাদেশে টি-টোয়েন্টি খেলিনি, তবে এখানে আসতে এবং খেলতে আমি সবসময় উপভোগ করি। এবার কিছু নতুন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এখানে টি-টোয়েন্টি খেলতে পারবো, এটা আমার জন্য খুবই বেশি।’
সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে বাংলাদেশে ওয়ানডে খেলেছিলেন সোধি। সেখানে এক ম্যাচে স্বাগতিক বোলার হাসান মাহমুদ তাকে মানকাড আউট করেন। তবে পরে তখনকার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লিটন কুমার দাস তাকে ফিরিয়ে আনেন।
Advertisement
সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে সোধি বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভীষণ আবেগী একটি দেশ। তারা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতার খেলোয়াড়। তাই আমাদেরও নিশ্চিত করতে হবে আমরা যেন সমানভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ থাকি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে হ্যাঁ, ওই সিরিজের অংশ হতে পারাটা সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল। আর যেমন বললাম, সেই সিরিজের তুলনায় আমাদের দলটাও এখন অনেকটাই আলাদা। তাই সামনে কী হয় তা দেখা অবশ্যই আগ্রহের হবে, তবে এটা নিশ্চিত- লড়াইটা সব সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।’
এসকেডি/আইএইচএস