গত বছরের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে বাংলাদেশ। এরপর ফেব্রুয়ারিতে নানা কারণে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হয়নি বাংলাদেশের। আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর আগামীকাল প্রথমবার টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবে লিটন কুমার দাসের দল।
Advertisement
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়। প্রায় ৬ মাস পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নামায় শুরুতে ব্যাটারদের ওপর বাড়তি চাপ দিতে চান না লিটন। তিনি মনে করছেন, কয়েকটি ম্যাচ খেললেই ব্যাটাররা নিজের জায়গা থেকে পরিস্থিতি বুঝে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে।
রোববার চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘অনেকদিন পরে আমরা আবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা খেলছি। প্রথম দিক দিয়ে আমরা কোনো বাড়তি চাপ দিতে চাচ্ছি না। দুই একটা ম্যাচ খেললে যে যার জায়গা থেকে অটোমেটিক বুঝতে পারবে। কারণ এটা একটা সেটআপেরও বিষয় আছে।’
আগামী মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর আসবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত, দুই সিরিজেই আছে টি-টোয়েন্টি। টানা সিরিজ থাকাকে ইতিবাচক মনে করছেন লিটন, ‘একটা ভালো দিক যে এই বছরের যে নয়টা টি-টোয়েন্টি হবে, তিনটাই ভালো টিমের সাথে এবং ব্যাক টু ব্যাক সিরিজগুলো আছে। এটা ইতিবাচক যে আমরা একবার খেললে পরের সিরিজটাও আমাদের জন্য একটু হলেও তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে যাবে।’
Advertisement
টি-টোয়েন্টিতে টপ অর্ডার এবং ছয় নম্বর পজিশনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন ব্যাটারের ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সেটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন লিটন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় না খুব একটা চিন্তার বিষয় এটা। যদিও বা অনেকদিন পরে আবার টি-টোয়েন্টি খেলছি, আমাদের সবার জন্যই চ্যালেঞ্জিং থাকবে জিনিসটা যে সবাই নিজের পারফরম্যান্স করার চেষ্টা করবে। আমার মনে হয় কয়েকটা ম্যাচ খেললে আবার এই জিনিসটা ঠিক হয়ে যাবে।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে স্কোয়াডকে ব্যাটিং ও বোলিং মিলিয়ে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ মনে করছেন লিটন। তার মতে, নিয়মিত ছয়জন ব্যাটার খেলার পাশাপাশি বোলিং অলরাউন্ডাররাও ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারেন। তিনি বলেন, ‘সবমিলিয়ে ভালো। আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের ছয়টা ব্যাটার সবসময় খেলে। রিশাদ এবং শেখ মাহেদী দুজনেই ব্যাটিং করতে পারে। এবং পেস বোলারদের ভেতরে সাকিব আছে, সাইফউদ্দিন আছে। সাকলাইনও এখন নতুন জয়েন হয়েছে। সবমিলিয়ে ব্যালেন্সড দল আমার কাছে মনে হয়।’
এসকেডি/এমএমআর
Advertisement