ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
Advertisement
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে তাকে কুমিল্লা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলি আদালতে তোলা হয়। এরপর শুনানি শেষে বিচারক তাইয়োব উদ্দিন জিসান মিয়া এ আদেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন পাটোয়ারী এ তথ্য করছেন।
এর আগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে সুস্থ বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছুটি (ছাড়পত্র) দেন।
Advertisement
কুমিল্লার দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে করা মামলায় জিসানকে গ্রেফতার দেখানো হয় গত শুক্রবার রাতে। কিন্তু ওই ছাত্রশিবির নেতা নিজেকে ‘অসুস্থ দেখিয়ে’ পুলিশি হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এত দিন। এ জন্য তাকে গ্রেফতার করা হলেও আদালতে পাঠায়নি পুলিশ।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করে জিসান মিয়া সুস্থ বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। দুপুর ১২টায় তাকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর গত শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় ‘অচেতন’ অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরে ওই দিন রাতেই চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। জিসান মিয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
Advertisement
জাহিদ পাটোয়ারী/এনএইচআর/এএসএম