যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় চীন ও রাশিয়ার ‘নিরপেক্ষ’ অবস্থানের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশ চাইলে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারতো, কিন্তু তারা তা করেনি।
Advertisement
ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ধন্যবাদ জানাতে চান।
ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট শি পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিলেন। আমি তার এই ভূমিকার প্রশংসা করি। একইভাবে ভ্লাদিমির পুতিনও নিরপেক্ষ ছিলেন। তারা চাইলে আমাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলতে পারতেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি মিত্র দেশের প্রতি তার সাম্প্রতিক সমালোচনার বিপরীত। জাপান ও ইউরোপের কয়েকটি দেশকে তিনি সামরিক অভিযান এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় যথেষ্ট সহযোগিতা না করার অভিযোগে সমালোচনা করেছিলেন।
Advertisement
চীন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। রাশিয়া আগে সতর্ক করে বলেছিল, এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে, চীন ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছিল।
তবে ট্রাম্প দাবি করেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সংঘাত নিরসনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, চীন চাইলে বড় ধরনের অস্ত্র বা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাতে পারতো, কিন্তু তারা তা করেনি। প্রেসিডেন্ট শি আমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছেন এবং আমি মনে করি, তিনি সমাধানের পথেও সহায়তা করেছেন।
এদিকে, ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, বেইজিং শুরু থেকেই শান্তি ও যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং সংঘাতের অবসানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
Advertisement
এমএসএম