আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে পাঁচটি খালে খনন কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এ সময় নগরবাসীর প্রতি খাল-নালায় বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
Advertisement
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) নগরের বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিদর্শনকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
চসিক সূত্র জানায়, এদিন ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের ডোম খাল, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের সুন্নিয়া মাদরাসা খাল ও সদর খাল, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের অনন্যা আবাসিক খাল এবং ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের টেক্সটাইল ব্রিজসংলগ্ন চশমা খালে খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে খাল, নালা ও ড্রেন সচল করার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খনন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে খালগুলোর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতে পারে।
Advertisement
চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকায় চলছে খাল খনন কার্যক্রম/ছবি: জাগো নিউজ
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নিয়মিত খাল পরিষ্কার ও খননের কাজ করলেও খাল-নালায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ না হলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না। জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
আরও পড়ুন মেয়র শাহাদাত / খাল দখলমুক্ত-নাগরিক সচেতনতাই জলাবদ্ধতা নিরসনের মূল চাবিকাঠি চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসন করা হবে: চসিক মেয়রডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশন ও নগরবাসীর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জনগণের সহযোগিতা থাকলে জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন আরও সহজ হবে।
চসিক জানিয়েছে, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ কমাতে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে খাল খনন, আবর্জনা অপসারণ এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো পুনরুদ্ধার ও কার্যকর রাখতে কাজ করা হচ্ছে।
Advertisement
পরিদর্শনকালে চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়াসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমআরএএইচ/এমএমকে