বায়ার্ন মিউনিখের কিংবদন্তি থমাস মুলার, যিনি বর্তমানে মেজর লিগ সকারে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের হয়ে খেলছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ‘ম্যাজেনটা টিভি’-তে টেলিভিশন বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করার সময় একটি অদ্ভুত তুলনা করেছেন।
Advertisement
তিনি উপস্থাপক লরা ভোনতোরার সঙ্গে বলেন, ‘অন্যদেরই পারফর্ম করতে হবে। এটাই আমার দর্শন। তাই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো হলেন (৪১ বছর বয়স) পর্তুগালের লেনার্ট কার্ল (১৮ বছর বয়স)।’
মূলতঃ লেনার্ট কার্ল হলেন জার্মানির ১৮ বছর বয়সী একজন উদীয়মান তারকা ফুটবলার। যিনি খেলেন বায়ার্ন মিউনিখে। এবার বিশ্বকাপে জার্মান কোচের অন্যতম অস্ত্র ছিলেন কার্ল। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার, বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ইনজুরিতে পড়ে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে পড়েন তিনি। লেনার্ট কার্ল যেমন বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না, রোনালদো খেলতে পারলেও তার অবস্থাটা পুরোপুরি কার্লের মতোই।
থমাস মুলার পরে এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘তার মতে রোনালদো বা কার্ল- কারও ওপরই তাদের নিজ নিজ জাতীয় দলের সাফল্যের মূল দায়িত্ব চাপানো উচিত নয়।’
Advertisement
সাবেক এই জার্মান ফুটবলার মনে করেন, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং লেনার্ট কার্ল নিজেদের শক্তি দিয়ে অবদান রাখতে পারেন, কিন্তু পুরো বিষয়টি তাদের ওপর এককভাবে নির্ভর করা উচিত নয়। ‘তিনি গোল করেন। তিনি ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তন করেন না…, পর্তুগিজ ফুটবল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ওপর সবকিছু নির্ভরশীল নয়,’ তিনি জোর দিয়ে বলেন।
লেনার্ট কার্ল বায়ার্ন মিউনিখের রত্ন এবং জার্মান ফুটবলের সবচেয়ে বড় আশা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, যদিও পেশিতে আঘাতের কারণে তিনি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন এবং তার জায়গায় আরবি লাইপজিগের মিডফিল্ডার আসান ওয়েদ্রাউগোকে নেওয়া হয়েছে।
লেনার্ট কার্ল বলেন, ‘আমি আশা করি এটা আমাদের মধ্যেই থাকবে যে- বায়ার্ন একটি বড় ক্লাব। সেখানে খেলা একটি স্বপ্ন, কিন্তু একদিন আমি রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে চাই। সেটাই আমার স্বপ্নের ক্লাব, তবে এটা আমাদের মধ্যেই থাকুক।’
কার্লের রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি আগ্রহ বহু পুরোনো। বিশেষ করে ২০১৮ সালের জুন থেকে। তখন লেনার্ট মাত্র ১০ বছর বয়সে মাদ্রিদে একটি ট্রায়ালে অংশ নিতে যান। কার্ল পরিবারের বন্ধু সাংবাদিক সেবাস্তিয়ান লাইসগাং তার পডকাস্ট ‘অ্যান্ড নাউ স্পোর্টস’-এ কয়েক দিন আগে এই ঘটনা বলেন।
Advertisement
তিনি বলেন, ‘সে ১০ বছর বয়সে রিয়াল মাদ্রিদের ট্রায়ালে গিয়েছিল। আঞ্চলিক ট্রেনিং ক্যাম্প ছিল, যার একটি ছিল আসচাফেনবুর্গ অঞ্চলে। সেখান থেকে সে পরবর্তী ধাপে উত্তীর্ণ হয়, যা হয়েছিল মেমিংগেনে। সেখানে সে আবার সফল হয় এবং তাকে মাদ্রিদে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়, বার্নাব্যুতে যেতে। কিন্তু যেমনটি জানা যায়, রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে সেই চুক্তি সফল হয়নি।’
এমএআর/আইএইচএস/