খেলাধুলা

পর্তুগিজ তারকা ফেলিক্সকে নিয়ে কড়া মন্তব্য সাবেক তারকার, চাঞ্চল্য

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের অপ্রত্যাশিত ড্রয়ের পর ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাবেক পর্তুগাল তারকা রিকার্দো কাওয়ারেসমা লাইভ মোড টিভিতে নিজের মতামত প্রকাশ করেন, যেখানে সাক্ষাৎকার সেটে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড হোয়াও ফেলিক্স।

Advertisement

সাবেক এই পর্তুগিজ খেলোয়াড়ের মতে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সতীর্থ এবং আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। কোচ রবার্তো মার্তিনেজের দলের আর কোনো ভুল করার সুযোগ নেই।

কাওয়ারেসমা ফেলিক্সকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা ড্র করেছি, আর এখন বাকি দুই ম্যাচে এটা ঠিক করতে হবে। আমি এখনো তোমার ওপর বিশ্বাস রাখি, কোনো সন্দেহ নেই। কোচকে বলো তোমাকে আরও বেশি খেলাতে। দেখি পরের ম্যাচে আমরা ভিন্নভাবে শুরু করতে এবং জিততে পারি কি না।’

কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের ম্যাচে হোয়াও ফেলিক্স মাঠেই নামেননি। পর্তুগালের স্প্যানিশ কোচ রবার্তো মার্টিনেজ বার্নার্দো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং পেদ্রো নেতোকে ভিতিনহা ও হোয়াও নেভেসের সামনে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেন।

Advertisement

খারাপ প্রথমার্ধের পর কোচ মার্তিনেজ বার্নার্দো সিলভাকে তুলে নিয়ে সার্জিও কনসেইকাওকে মাঠে নামান। পরে পেদ্রো নেতোর পরিবর্তে রাফায়েল লিয়াও, নুনো মেন্দেজের বদলে নেলসন সেমেদো এবং ভিতিনহার জায়গায় গনসালো রামোসকেও নামানো হয়।

এই হতাশাজনক ফলাফলের পর রবার্তো মার্তিনেজকে তার কৌশলে পরিবর্তন আনতে হতে পারে। এখন দেখার বিষয়, হোয়াও ফেলিক্স শুরুর একাদশে সুযোগ পান কি না এবং কঙ্গোর বিপক্ষে ব্যর্থ হওয়া মাঝমাঠকে নতুনভাবে সাজাতে পারেন কি না।

এর কয়েকদিন আগেই মার্তিনেজকে হোয়াও ফেলিক্স সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এখনো তিনি এই সাবেক বার্সেলোনা খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রাখেন।

তিনি বলেন, ‘সে প্রথম একাদশে সুযোগ পায় কি না, তার ওপর ভিত্তি করেই তাকে বিচার করা হয়; কিন্তু সে খেলার যে কোনো মুহূর্তে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত কি না, সেটাকে আমি গুরুত্ব দিই। হোয়াও (ফেলিক্স) এমন দিনেও ম্যাচে প্রভাব রেখেছে, যখন বেঞ্চ থেকে নামা শুরু করার চেয়ে কঠিন ছিল।’

Advertisement

তিনি আরও বলেন, ‘সে এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে যা তাকে পরিণত হতে সাহায্য করেছে। ধারে খেলা খেলোয়াড়ের জন্য সবসময়ই কঠিন পরিস্থিতি থাকে, কারণ ভুল করার সুযোগ কম। আমি তাকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেখেছি এবং কখনোই হাল ছাড়তে দেখিনি।’

এমএআর/আইএইচএস/