সম্প্রতি একটি সালিশ বৈঠকে বিএনপির এক কর্মীকে ধমক দেওয়া ও তার ওপর চড়াও হতে দেখা যায় মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে। এ ধরনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
Advertisement
শনিবার (২০ জুন) দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিশ বৈঠকের একপর্যায়ে সংসদ সদস্য হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন।
এসময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ একপর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দিবো।’
এ ঘটনার পর সংসদ সদস্য হানজালাকে নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। সংসদ সদস্য হানজালার তীব্র সমারোচনা করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
Advertisement
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমপি হানজালার তীব্র সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন তিনি।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘এমপি হানজালারে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সাথে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কীভাবে এমপি হলো?’
তিনি বলেন, ‘এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিল আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিল? আজকাল এসব লোকদের এত বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মতো ট্রিট করে। হানজালাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে ওরাই ক্ষমতায় আর বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপির দুর্ভাগ্য যে, এদের হজম করা লাগছে। রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট না থাকলে আমি নিশ্চিত ঐ বিএনপি নেতা এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নিচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিতো।’
বিএ
Advertisement