পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের পর সারাদেশে পলাতক বিডিআর সদস্যদের ধরার জন্য ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ এ তৎকালীন কর্নেল জিয়াউল আহসান ৮ থেকে ১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবাননন্দি দিয়েছেন তার রানার (বডিগার্ড) ইমরুল কায়েস।
Advertisement
রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিনি এ জবানবন্দি দেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধী অপরাধের অভিযোগে করা গুমের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে এই জবানবন্দি দেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস।
মামলার একমাত্র আসামি মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। জবানবন্দির সময় তিনি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
জবানবন্দিতে সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর সারাদেশে ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ নামে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হয় পলাতক বিডিআর সদস্যদের ধরার জন্য। ঐ সময় জিয়াউল আহসান স্যার ৮ থেকে ১০ জন লোককে হত্যা করেন। যাদেরকে হত্যা করেছেন তারা বিডিআর সদস্য ছিল এবং আমাদের অফিসারদের এরা হত্যা করেছে মর্মে জিয়া স্যার বলেছেন।
এই লোকগুলোকে দুইভাবে হত্যা করা হয়েছে। একটি ছিল ইনজেকশন পুশ করে এবং আরেকটি ছিল পোস্তগোলা ব্রীজের নিকট আর্মি ক্যাম্প আছে তার ভেতর দিয়ে বোটে করে নদীতে নিয়ে সিমেন্ট ভরা একটি বস্তা নিচে রাখা হতো, তার ওপর যে ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে তাকে রাখা হতো, তার ওপর আরেকটি সিমেন্ট ভরা বস্তা রেখে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে বেধে ফেলা হতো। পরে মাথায় গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।
এফএইচ/এসএনআর
Advertisement