দেশজুড়ে

যশোরে জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন

যশোর জেলা জাতীয় পার্টির ৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মকবুল হোসেনকে আহ্বায়ক এবং খবির গাজীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Advertisement

গত ১৯ জুন রাতে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলটির ২৫ শীর্ষ নেতা একযোগে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির ভেতরে বর্তমানে কোনো সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নেই। ঊর্ধ্বতন নেতাদের অসাংগঠনিক ও স্বেচ্ছাচারী কার্যকলাপের কারণে দলটি দেশ ও জনগণের জন্য বর্তমান কিংবা ভবিষ্যতে কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না।

জেলা নেতাদের এই গণপদত্যাগ ও নতুন কমিটির বিষয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম জানান, জাতীয় পার্টি একটি সুসংগঠিত দল এবং এখানে কঠোর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রয়েছে। যারা দলের শৃঙ্খলা মেনে চলবেন, দল তাদের মূল্যায়ন করবে।

Advertisement

তিনি বলেন, যশোর জেলার ২৫ জন নেতার পদত্যাগ করাটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। যেহেতু একটি অংশ দল থেকে পদত্যাগ করেছে, তাই দল তো আর কারও জন্য বসে থাকবে না। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় দফতর থেকে জানানো হয়, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সুপারিশে মকবুল হোসেনকে আহ্বায়ক ও খবির গাজীকে সদস্য সচিব করে নতুন ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেছেন।

৩১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটিতে ৫ জন যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২৪ জন সদস্য স্থান পেয়েছেন।

তারা হলেন- আহ্বায়ক মকবুল হোসেন, সদস্য সচিব খবির গাজী, যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুল আরেফিন, রেজাউল ইসলাম, আব্দুর রহমান বাদল, আব্দুল লতিফ রানা এবং শেখ ফরিদ।

Advertisement

কমিটির সদস্যরা হলেন- অ্যাডভোকেট মাহবুব আলম বাচ্চু, সুশান্ত কুমার মন্ডল, খন্দকার গোলাম কিবরিয়া, অ্যাডভোকেট জি এম মুছা, অ্যাডভোকেট আশরাফুল ইসলাম, ডাক্তার নাজিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিন্টু, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান, আব্দুর রশিদ মৃধা, প্রণব কুমার রায়, ইমামমুল ইসলাম, রুহুল আমিন, শফিকুল ইসলাম শফি, সৈয়দ ফরিদ, হারুন অর রশিদ, আক্তারুজ্জামান, আব্বাস উদ্দিন, হাসিবুল হাসান শিমুল, জাকির হোসেন বাবু, বিএম রশিদ, একরামুল হক জুয়েল, শামীম হোসেন এবং প্রহ্লাদ সাহা।

মিলন রহমান/এনএইচআর/এমএস