আইন-আদালত

নতুন মামলায় মমতাজকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা এবং গুলিবর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।

Advertisement

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে ঢাকার মহানগর আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আজিজুল হক এ আবেদন করেন।

Advertisement

আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলায় মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানার জয়মন্ডপ এলাকার বাসিন্দা ও মইন হাসান চঞ্চলের স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন দুই মামলায় মমতাজের জামিন চেম্বারে স্থগিত

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার বাদী মো. মুক্তার অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট এবং হামলাকারীদের মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। তার দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মামলার এক নম্বর আসামি মমতাজ বেগমের প্রত্যক্ষ নির্দেশ ও নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়। এসময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

তদন্ত কর্মকর্তা তার আবেদনে আরও বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হলে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হবে। পরে অধিকতর তথ্য সংগ্রহের জন্য পুলিশি রিমান্ডের আবেদনও করা হতে পারে। মামলাটির তদন্ত বর্তমানে চলমান।

এমডিএএ/ইএ