আইন-আদালত

ইকরার মৃত্যু: অভিনেতা জাহের আলভী দুদিনের রিমান্ডে

 

Advertisement

স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভীকে দুদিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৪ জুন) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরনী মীর এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক জাহের আলভীকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Advertisement

এর আগে গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ২১ জুন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

আরও পড়ুন স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা জাহের আলভী

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ইকরাকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় অপমানজনক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করতেন জাহের আলভী। এছাড়া বিবাহিত থাকা অবস্থায় অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি প্রকাশ করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য পোস্ট করার অভিযোগও রয়েছে।

মামলার প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাইয়ের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, একই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

Advertisement

মামলার নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফরা ইভনাত ইকরাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে।

আরও পড়ুন আত্মহত্যার আগে পোস্টে যা লিখেছিলেন জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা

ঘটনার পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এমডিএএ/এমকেআর