দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরেছেন নেইমার। দল জিতেছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এই ফলাফলের মাধ্যমে ব্রাজিল ৭ পয়েন্ট নিয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-তে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
Advertisement
মরক্কোরও সমান ৭ পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ব্রাজিল প্রথম স্থান নিশ্চিত করে। এখন আগামী সোমবার দ্বিতীয় রাউন্ডে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে সেলেসাও। সেই প্রতিপক্ষ হতে পারে নেদারল্যান্ডস, জাপান অথবা সুইডেন।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের অন্যতম বড় খবর ছিল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে উরুগুয়ের বিপক্ষে পরাজয়ের ম্যাচে চোট পাওয়ার পর এই প্রথম ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামলেন তিনি।
নেইমারের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার খেলার সুযোগ পেয়েছে, কারণ সেটা তার প্রাপ্য ছিল। চোট থেকে ফিরে আসার জন্য সে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিশ্রম করেছে এবং অনুশীলন করেছে। তার অসাধারণ গুণাবলীর কারণে সে এই বিশ্বকাপে দলকে সাহায্য করতে পারে। অল্প সময় খেলেও সে ভালো খেলেছে।’
Advertisement
ব্রাজিলের জার্সিতে নামার আবেগ এখনো নেইমারকে তরুণ বয়সের মত তাড়িয়ে বেড়ায় উল্লেখ করে আনচেলত্তি বলেন, ‘ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে নেইমারের কোনো অতিরিক্ত প্রেরণার দরকার হয় না। আসলে কোনো খেলোয়াড়েরই হয় না। নেইমারের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তার বয়স এখন ৩৪, কিন্তু ব্রাজিলের হয়ে খেলার প্রতি তার আবেগ এখনও একটি কিশোরের মতোই।’
ম্যাচের সবচেয়ে বড় তারকা ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। এই দুই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটিতে, যা সর্বোচ্চ গোলদাতা লিওনেল মেসির চেয়ে মাত্র এক গোল কম। ব্রাজিলের সাত নম্বর জার্সিধারীর পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন কার্লো আনচেলত্তি।
ভিনি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভিনির উজ্জ্বল পারফরম্যান্স আমাকে আনন্দ দেয়। কারণ আমি কখনও সন্দেহ করিনি যে সে এই বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দেখাতে পারবে। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা তার জন্য গর্বের বিষয়। সে দারুণ খেলছে। এমনকি সে একটি হেড দিয়েও গোল করেছে, যা তার ক্ষেত্রে খুবই বিরল। ভিনিকে নতুন করে আবিষ্কার করার কেউ আমি নই। আমার কাছে ভিনি সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন ফুটবলার। নিঃসন্দেহে সে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।’
আরআর/এমএমআর
Advertisement