সাধারণত সিদ্ধান্ত দিয়ে বিতর্কের শেষ নেই ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, এফএ কাপ কিংবা ফিফা বিশ্বকাপ সব টুর্নামেন্টেই বিতর্ক চলমান।
Advertisement
সবশেষ মিশর ও ইরানের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে বাতিল হয় ইরানের গোল। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক আলোচনা ও সমালোচনা হলেও এখানে ভিএআরের সিদ্ধান্ত ছিল সম্পূর্ণ সঠিক।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ইরানের সোজা খলিলজাদেহ জালে বল জড়ান। গোলটি হলে ইরান গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে নকআউটে উঠতো। তবে ভিডিও সহকারী রেফারি (ভিএআর) অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে দেন।
এর ব্যাখ্যা রয়েছে ফুটবলের অফসাইড আইনে। গোলের প্রচেষ্টায় থাকা কোনো খেলোয়াড় অনসাইড থাকতে হলে বল পাস দেওয়ার মুহূর্তে তার সামনে গোললাইন পর্যন্ত অন্তত দুইজন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় থাকতে হবে। সাধারণত এই দুইজন হন গোলরক্ষক ও একজন ডিফেন্ডার। তবে গোলরক্ষক যদি অনেকটা সামনে উঠে আসেন, তাহলে তার পরিবর্তে দুইজন আউটফিল্ড ডিফেন্ডার থাকতে হবে।
Advertisement
এই ঘটনায় মিশরের গোলরক্ষক অনেকটা সামনে উঠে এসেছিলেন। ফলে সোজা খলিলজাদেহ সামনে গোললাইনের দিকে কেবল একজন ডিফেন্ডার ছিলেন। আর ভিএআরের গ্রাফিক্সে দেখা যায়, বল পাস দেওয়ার মুহূর্তে খালিলজাদেহর পা সেই একমাত্র ডিফেন্ডারের চেয়েও সামনে ছিল।
তাই আইন অনুযায়ী এটি অফসাইড ছিল এবং ভিএআর গোল বাতিল করে সঠিক সিদ্ধান্তই দিয়েছে।
আইএন
Advertisement