ম্যাচটা ড্র হলে আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া দুই দলই বিশ্বকাপের নকআউটে যাবে, কপাল পুড়বে ইরানের। এমন সমীকরণ জানাই ছিল। সে ম্যাচে যখন ৩-৩ গোলের নাটকীয় সমাপ্তি হয়, তখন সমালোচকরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবেন স্বাভাবিক।
Advertisement
তবে এসব সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না অস্ট্রিলিয়ার কোচ রালফ রাংনিক। তার মতে, এই ম্যাচে শেষ ৯০ সেকেন্ডে যা হয়েছে, সেটাই সব সন্দেহ দূর করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
ম্যাচে শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রিয়া। তবে শেষ দিকে আলজেরিয়া ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় এবং যোগ করা সময়ের ৯৩ মিনিট পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রাখে। কিন্তু ৯৬তম মিনিটে সাসা কালাইজদজিচের নাটকীয় গোলে ৩-৩ সমতা ফেরায় অস্ট্রিয়া।
এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার পর দ্বিতীয় স্থান নিয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে অস্ট্রিয়া। আগামী ২ জুলাই শেষ ৩২-এর ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে দলটি।
Advertisement
শেষ মুহূর্তের গোলের পর পুরো দলই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল বলে জানান রাংনিক। পাশাপাশি ম্যাচটির রেজাল্ট ফিক্সড ছিল-এমন অভিযোগও উড়িয়ে দেন তিনি।
রাংনিক বলেন, ‘৩-৩ স্কোরের এমন একটি ম্যাচ দেখে কেউই বলতে পারে না যে এটি কোনো সমঝোতার ফল। বিশেষ করে শেষ ৯০ সেকেন্ডে যা ঘটেছে, তা সব সন্দেহ দূর করে দেয়।’
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে রোববার রাংনিক বলেন, ‘ফুটবল ম্যাচে এর কাছাকাছিও কোনো অভিজ্ঞতা আমার কখনো হয়নি। সাধারণত ২-৩ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়লে ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। কিন্তু আমরা শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফিরিয়েছি, যা অবিশ্বাস্য।’
এই নাটকীয় ম্যাচকে হলিউডের সুখসমাপ্তির সিনেমার সঙ্গে তুলনা করেন অস্ট্রিয়া কোচ। তার ভাষায়, ‘এটা যেন একটি হলিউড সিনেমা। সাসপেন্স চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নির্মাতা আলফ্রেড হিচককও যদি এমন গল্প লিখতেন, তাহলে হয়তো তাকে পাগল বলে মনে করা হতো।’
Advertisement
এমএমআর