বাংলাদেশে কমিউনিটি-ভিত্তিক প্যালিয়েটিভ কেয়ার বা উপশমমূলক সেবায় শিক্ষার্থী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। ‘কর্মজীবনের জন্য ২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক এই কর্মশালাটি গত ২১, ২২, ২৪ ও ২৮ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
Advertisement
উদ্যোগটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেছে নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি-বাংলাদেশ (আইপিসিএস-বি), প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিসিএসবি) এবং বাংলাদেশ নটরডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকা (বিএনডিএএনএ)।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটিতে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের মৌলিক ধারণা, কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা, কমিউনিটি অংশগ্রহণ, স্থানীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নার্সিং কেয়ার, আধ্যাত্মিক বিষয়াবলি, কেয়ারারদের চ্যালেঞ্জ এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আবেগগত বিষয়গুলোর ওপর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান দেওয়া হয়। এছাড়া মৃত্যু ও মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের সেবা, শোক এবং শোক-পরবর্তী সহায়তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সেশনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রশিক্ষণ সেশনগুলো পরিচালনা করেন ড. নাঈম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ, ডা. নূরজাহান বেগম, ডা. মাহবুবা জাফরিন আহমদ, ডা. নিশা মর্তুজা, লায়লাতুল ফেরদৌস, রাহিমা আক্তার, শাহানা শারমীন, খালিদ আরাফাত অব্যয়, ডা. তাসনিম জেরিন, ডা. ওয়াই ওয়াই ম্রয় জন, ডা. মো. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. সানজিদা শাহরিয়া।
Advertisement
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফাদার প্যাট্রিক ড্যানিয়েল গ্যাফনি, সিএসসি; রেজিস্ট্রার ড. ব্রাদার সুবল লরেন্স রোজারিও, সিএসসি; মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল কবীরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
প্যালিয়েটিভ কেয়ার হলো একটি সমন্বিত সেবা পদ্ধতি, যার মাধ্যমে নিরাময়-অযোগ্য রোগীদের শারীরিক কষ্ট ও মানসিক অশান্তি লাঘব করে তাদের জীবনমান উন্নত করা হয়। পাশাপাশি এই সেবার মাধ্যমে রোগী ও তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।
এএমএ
Advertisement