মতামত

ব্রেন ড্রেইন: কেন মেধা দেশ ছাড়ে?

একসময় বিদেশে পড়তে যাওয়া বা কাজ করতে যাওয়াকে ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প হিসেবে দেখা হতো। এখন সেই গল্পের একটি নতুন অধ্যায় যোগ হয়েছে—ফিরে না আসার প্রবণতা। বাংলাদেশের অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং উদ্যোক্তা উচ্চশিক্ষা বা পেশাগত সুযোগের সন্ধানে বিদেশে যাচ্ছেন। উদ্বেগের বিষয় হলো, তাঁদের একটি বড় অংশ আর দেশে ফিরতে চাইছেন না। ফলে ব্যক্তিগত স্বপ্নপূরণের পাশাপাশি নীরবে ঘটছে আরেকটি প্রক্রিয়া—দেশ থেকে মেধার ধারাবাহিক বহির্গমন, যাকে অর্থনীতি ও উন্নয়ন গবেষণায় বলা হয় ‘ব্রেন ড্রেইন’।

Advertisement

এই বিষয়টি নিয়ে আবেগের চেয়ে বাস্তবতা দিয়ে ভাবা প্রয়োজন। মানুষ কেন দেশ ছাড়ে, তার উত্তর কেবল বেশি বেতন নয়। উন্নত গবেষণার সুযোগ, পেশাগত স্বাধীনতা, মেধার মূল্যায়ন, উন্নত জীবনযাত্রা, সামাজিক নিরাপত্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসনের মতো নানান বিষয় একজন দক্ষ মানুষকে সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করে। তাই ব্রেন ড্রেইন কেবল শ্রমবাজারের বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের সামগ্রিক সক্ষমতারও একটি সূচক।

বিশ্বায়নের যুগে দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক চলাচল স্বাভাবিক। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জার্মানি কিংবা সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো পরিকল্পিতভাবে বিশ্বের সেরা মেধাবীদের আকৃষ্ট করার নীতি গ্রহণ করেছে। তাদের অভিবাসন নীতিতে উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ ও উদ্ভাবনী জনশক্তির জন্য বিশেষ সুযোগ রাখা হয়েছে। কারণ তারা জানে, প্রাকৃতিক সম্পদের চেয়ে জ্ঞান ও উদ্ভাবনই আধুনিক অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সম্পদ।

আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলব, যেখানে মেধাবী তরুণের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হবে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া? নাকি এমন একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করব, যেখানে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও একজন গবেষক, একজন চিকিৎসক, একজন প্রকৌশলী কিংবা একজন উদ্যোক্তা মনে করবেন—আমার জ্ঞান, আমার শ্রম এবং আমার ভবিষ্যতের সবচেয়ে অর্থবহ ঠিকানা এই দেশই। সেই উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী কয়েক দশকে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রকৃত গতি ও মান।

Advertisement

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও বিদেশে দক্ষ জনশক্তির উপস্থিতি পুরোপুরি নেতিবাচক নয়। তাঁরা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান, আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেশের নাম উজ্জ্বল করেন, প্রযুক্তি ও জ্ঞানের সেতুবন্ধন তৈরি করেন। বিশ্বের বহু নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার, হাসপাতাল এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি পেশাজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এই অর্জন গর্বের।

কিন্তু প্রশ্নটি অন্য জায়গায়। যখন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দক্ষ শিক্ষক সংকটে ভোগে, হাসপাতালগুলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব অনুভব করে, গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো মেধাবী গবেষক ধরে রাখতে পারে না কিংবা তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সেরা প্রকৌশলীরা বিদেশে স্থায়ী হয়ে যান, তখন সেটি ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি জাতীয় ক্ষতির কারণও হয়ে দাঁড়ায়। কারণ একটি রাষ্ট্র যে মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দীর্ঘ সময় ও বিপুল বিনিয়োগ করে, তার সুফল শেষ পর্যন্ত অন্য দেশের অর্থনীতি ভোগ করে।

অর্থনীতিবিদরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, একবিংশ শতাব্দীর প্রতিযোগিতা মূলত মেধার প্রতিযোগিতা। যে দেশ দক্ষ মানুষ ধরে রাখতে পারে, সেই দেশই উদ্ভাবন, প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উৎপাদনশীলতায় এগিয়ে যায়। দক্ষিণ কোরিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড কিংবা ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর উন্নয়নের পেছনে প্রাকৃতিক সম্পদের চেয়ে মানবসম্পদের অবদান অনেক বেশি। তারা শুধু মেধাবীদের বিদেশে যাওয়া কমায়নি; বরং বিদেশে থাকা নিজেদের গবেষক ও উদ্যোক্তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ নীতি গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশে ব্রেন ড্রেইনের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হলো গবেষণা ও উদ্ভাবনের সীমিত পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা তহবিল তুলনামূলকভাবে কম, আধুনিক গবেষণাগারের অভাব রয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা সহযোগিতার সুযোগও সীমিত। একজন তরুণ গবেষক যদি দেখেন যে বিদেশে তিনি উন্নত ল্যাব, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাবেন, তাহলে তাঁর সিদ্ধান্ত অনুমান করা কঠিন নয়।

Advertisement

একইভাবে অনেক মেধাবী তরুণ মনে করেন, দেশে যোগ্যতার তুলনায় সুযোগ সীমিত। নিয়োগে স্বচ্ছতা, পদোন্নতিতে মেধার মূল্যায়ন, গবেষণার স্বাধীনতা কিংবা পেশাগত পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তারা বিকল্প ভবিষ্যৎ খোঁজেন। মেধাবী মানুষের কাছে শুধু বেতনই গুরুত্বপূর্ণ নয়; কাজের মর্যাদা, স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সুযোগ এবং সৃজনশীলতার মূল্যায়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রেন ড্রেইনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না। একটি সেতু ভেঙে গেলে তার ছবি দেখা যায়, একটি কারখানা বন্ধ হলে তার প্রভাব বোঝা যায়; কিন্তু একজন গবেষক, একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা একজন দক্ষ প্রকৌশলী দেশ ছেড়ে গেলে তার ক্ষতি ধীরে ধীরে জমা হয়। কয়েক বছর পর দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণার সংখ্যা কমে গেছে, শিল্পখাতে উদ্ভাবনের গতি মন্থর, প্রযুক্তি খাতে বিদেশি দক্ষতার ওপর নির্ভরতা বেড়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞের ঘাটতি প্রকট হয়েছে। অর্থনীতির ভাষায় এটি মানব পুঁজির ক্ষয় (Human Capital Loss)—যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি এবং বহুমাত্রিক।

বাংলাদেশ প্রতি বছর হাজার হাজার প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিষয়ের স্নাতক তৈরি করছে। রাষ্ট্র তাদের শিক্ষায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল বিনিয়োগ করে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর পেছনে যে ভর্তুকি দেওয়া হয়, সরকারি মেডিকেল কলেজে একজন চিকিৎসক তৈরিতে যে ব্যয় হয় কিংবা প্রকৌশল শিক্ষায় যে অবকাঠামো ব্যবহার করা হয়—সবই মূলত জনগণের করের অর্থে গড়ে ওঠা। সেই মানবসম্পদ যদি স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যায়, তাহলে সেই বিনিয়োগের একটি বড় অংশের সুফল অন্য দেশের অর্থনীতি ভোগ করে।

তবে বিষয়টি একমাত্র নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখাও ঠিক হবে না। আধুনিক বিশ্বে একটি নতুন ধারণা গুরুত্ব পাচ্ছে—ব্রেন সার্কুলেশন (Brain Circulation)। অর্থাৎ মেধাবী মানুষ বিদেশে যাবে, নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, তারপর সেই জ্ঞান, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ কিংবা গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে নিজ দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানের অভিজ্ঞতা দেখায়, বিদেশে যাওয়া সব মেধাই স্থায়ী ক্ষতি নয়; উপযুক্ত নীতি থাকলে সেই মেধা আবার জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে।

চীনের উদাহরণ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নব্বইয়ের দশক থেকে বিপুলসংখ্যক চীনা শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে সরকার গবেষণা অনুদান, কর-সুবিধা, আধুনিক গবেষণাগার, উচ্চ বেতন এবং উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দিয়ে তাঁদের একটি বড় অংশকে দেশে ফিরিয়ে আনে। আজ চীনের প্রযুক্তিগত উত্থানের পেছনে এই ‘রিটার্নিং ট্যালেন্ট’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ভারতও একই পথে এগিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের দ্রুত বিকাশ, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক মানের কর্মপরিবেশ তৈরি হওয়ায় বিদেশে কর্মরত বহু ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও উদ্যোক্তা নিজ দেশে ফিরে ব্যবসা শুরু করেছেন অথবা বিনিয়োগ করেছেন। ফলে একসময় যে ব্রেন ড্রেইন ছিল উদ্বেগের বিষয়, সেটি অনেক ক্ষেত্রে ব্রেন গেইনে রূপ নিতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের জন্যও সবচেয়ে কার্যকর পথ সম্ভবত মেধা ধরে রাখা এবং বিদেশে থাকা মেধাকে দেশের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার সমন্বিত কৌশল। এটি কেবল আবেগের বিষয় নয়; বাস্তব নীতির বিষয়। একজন গবেষক বা বিশেষজ্ঞকে দেশপ্রেমের আহ্বান জানিয়ে ফিরিয়ে আনা যায় না, যদি তিনি দেশে ফিরে গবেষণার পরিবেশ, পেশাগত স্বাধীনতা কিংবা সম্মানজনক জীবনযাত্রা না পান।

গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য অংশ গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যয় করে। বাংলাদেশে এই বিনিয়োগ এখনো খুবই সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তোলা না গেলে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি নির্মাণ কঠিন হবে।

নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা এবং মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি। তরুণরা তখনই দেশে থাকতে আগ্রহী হন, যখন তারা বিশ্বাস করেন যে যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতেই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। একইভাবে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, গবেষণার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগকে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।

স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করাও ব্রেন ড্রেইন কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক তরুণ বিদেশে যান শুধু চাকরির জন্য নয়; নতুন ধারণাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগের সন্ধানে। দেশে যদি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য অর্থায়ন, আইনি সহায়তা এবং বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়, তাহলে অনেক মেধাবী তরুণ দেশেই ভবিষ্যৎ গড়তে আগ্রহী হবেন।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি গবেষক, বিজ্ঞানী ও পেশাজীবীদের সঙ্গে একটি শক্তিশালী জ্ঞান-নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাও প্রয়োজন। সবাইকে দেশে ফিরতে হবে—এমন নয়। কিন্তু তাঁরা অনলাইন শিক্ষা, যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি স্থানান্তর, বিনিয়োগ, মেন্টরশিপ এবং নীতিগত পরামর্শের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। আধুনিক বিশ্বে জ্ঞান আর ভৌগোলিক সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; প্রয়োজন কার্যকর সংযোগ।

সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন। ব্রেন ড্রেইনকে শুধু ‘মেধা পাচার’ বলে আক্ষেপ করলে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং এমন একটি রাষ্ট্রীয় পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে একজন তরুণ বিশ্বাস করবেন—নিজের স্বপ্ন পূরণ এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা—দুটিই একই সঙ্গে সম্ভব।

একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার খনিজ সম্পদে নয়, মানুষের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতায়। যে দেশ তার সেরা মানুষদের ধরে রাখতে পারে না, সে দেশ দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তি, গবেষণা ও অর্থনীতির প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। আবার যে দেশ মেধাকে সম্মান করে, সুযোগ সৃষ্টি করে এবং চিন্তার স্বাধীনতাকে মূল্য দেয়, সেখানেই নতুন আবিষ্কার হয়, নতুন শিল্প গড়ে ওঠে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হয়।

বাংলাদেশের সামনে এখন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলব, যেখানে মেধাবী তরুণের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হবে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া? নাকি এমন একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করব, যেখানে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও একজন গবেষক, একজন চিকিৎসক, একজন প্রকৌশলী কিংবা একজন উদ্যোক্তা মনে করবেন—আমার জ্ঞান, আমার শ্রম এবং আমার ভবিষ্যতের সবচেয়ে অর্থবহ ঠিকানা এই দেশই। সেই উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী কয়েক দশকে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রকৃত গতি ও মান।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।drharun.press@gmail.com

এইচআর/এমএফএ/এএসএম