বিনোদন

যে কারণে ডোয়াইন জনসনকে ‘কাপুরুষ’ বললেন অভিনেতা

হলিউড তারকা ডোয়াইন জনসন ‘দ্য রক’ নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তবে অভিনয়ে এসেও তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তাকে ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিলেন ‘স্টার ট্রেক’খ্যাত অভিনেতা জর্জ টাকেই। কিন্তু কেন?

Advertisement

জানা গেছে, রাজনীতি নিয়ে আর প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করবেন না এমন ঘোষণা দিয়েছেন জনসন। তার পর শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

নিজের থ্রেডস অ্যাকাউন্টে টাকেই লেখেন, ‘নীরবতা মানেই সহযোগিতা।’ অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুতে চুপ থাকা অন্যায়ের পক্ষ নেওয়ারই নামান্তর।

এদিকে ‘স্ট্যান্ড বাই মি’খ্যাত অভিনেতা উইল হুইটন আরও কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লেখেন, ‘জানতে পেরে খুবই হতাশ হলাম যে তিনি এতটা কাপুরুষ।’

Advertisement

সম্প্রতি এস্কোয়ার ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোয়াইন জনসন বলেন, তিনি ভবিষ্যতে রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলবেন না।

তার ভাষায়, ‘অভিজ্ঞতা থেকে আমি শিখেছি, আমার মূল কাজ হলো সৃষ্টি করা- শিল্প আর গল্প বলা। তাই আমার রাজনৈতিক মতামত নিজের মধ্যেই রাখব। রাজনীতি সর্বত্র আছে, কিন্তু আমি এটি পছন্দ করি না। এর সঙ্গে থাকা কাদা ছোড়াছুড়ি ও অযথা বিতর্ককে আমি ঘৃণা করি।’

এর আগেও ২০২৪ সালে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনসন জানিয়েছিলেন, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি পরে অনুতপ্ত হন। তার মতে, সেই সমর্থনের কারণে ভক্তদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছিল।

তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমার লক্ষ্য মানুষকে একত্র করা। তাই ভবিষ্যতে আমি আর কাউকে সমর্থন দেব না। আমার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত শুধু আমার আর ভোটকেন্দ্রের মধ্যেই থাকবে।’

Advertisement

একই ধরনের অবস্থানের কথা সম্প্রতি জানিয়েছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সও। তিনি বলেন, অতীতে রাজনীতি নিয়ে সরব থাকলেও এখন মনে করেন, তারকাদের রাজনৈতিক মন্তব্য ভোটের ফলাফলে তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। বরং এতে সমাজের বিভাজন আরও বাড়তে পারে।

লরেন্সের ভাষায়, তিনি এখন নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাস প্রকাশ করতে চান মূলত তার প্রযোজিত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। তার মতে, শিল্পই মানুষের চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আনার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

 

এলআইএ