নতুন ফোন কিনলে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার একটি হলো পুরোনো ফোনের ছবি, ভিডিও, কনট্যাক্ট বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নতুন ডিভাইসে নেওয়া। বিশেষ করে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডাটা স্থানান্তর এতদিন অনেকের কাছেই ঝামেলাপূর্ণ ছিল। আলাদা অ্যাপ, কেবল কিংবা কম্পিউটারের সাহায্য ছাড়া অনেক সময় পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যেত না।
Advertisement
তবে এই ঝামেলা অনেকটাই কমাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির আইওএস ২৬.৩ সংস্করণে যুক্ত হয়েছে ‘ট্রান্সফার টু অ্যান্ড্রয়েড’ নামের একটি নতুন ফিচার। এর মাধ্যমে আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত ও সহজে স্থানান্তর করা যাবে।
ফিচারটি ব্যবহার করতে যা লাগবেএই সুবিধা ব্যবহার করার আগে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। আইফোনে আইওএস ২৬.৩ বা তার পরবর্তী সংস্করণ এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সর্বশেষ সফটওয়্যার আপডেট থাকা ভালো। পাশাপাশি দুটি ফোনেই পর্যাপ্ত চার্জ থাকতে হবে এবং একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকতে হবে। নিরাপত্তার জন্য ডাটা ট্রান্সফারের আগে আইক্লাউড বা কম্পিউটারে একটি ব্যাকআপ রেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন ফোন হ্যাকারদের নজরে কি না ৫ লক্ষণে বুঝে নিন কী কী ডাটা ট্রান্সফার করা যাবে?নতুন ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই স্থানান্তর করতে পারবেন-
Advertisement
কিছু ক্ষেত্রে ই সিম ও নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে স্থানান্তর করা সম্ভব হবে। ফলে নতুন করে সিম সংগ্রহ বা পুনরায় অ্যাক্টিভ করার ঝামেলাও কমবে।
যেসব তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে নাতবে সব ধরনের ডাটা এই ফিচারের মাধ্যমে স্থানান্তর করা যাবে না। হেলথ ডাটা, পাসওয়ার্ড-সুরক্ষিত নোটস এবং ব্লুটুথ ডিভাইসের সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ফোনে যাবে না। এসব তথ্য ব্যবহারকারীকে আলাদাভাবে সেটআপ করতে হবে।
আরও পড়ুন স্মার্টফোন দিনে একবার চার্জ করলে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত জানেন? কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ফিচার?অ্যাপলের এই নতুন ব্যবস্থা আইফোন থেকে অ্যান্ড্রয়েডে ডাটা স্থানান্তরকে আগের তুলনায় অনেক সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলবে। ফলে নতুন ফোনে পরিবর্তন করার সময় ছবি, কনট্যাক্ট বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হারানোর আশঙ্কাও অনেকটাই কমে যাবে। যারা আইফোন ছেড়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে যেতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে বেশ কার্যকর একটি সুবিধা।
কেএসকে
Advertisement