২০৩০ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক হলেও আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে ইতোমধ্যেই মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে সরাসরি টিকিট পাওয়া সত্ত্বেও এই তিন দল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন প্যারাগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এপিএফ) সভাপতি রবার্ট হ্যারিসন।
Advertisement
২০৩০ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের প্রথম আসর, যা তিনটি মহাদেশের ৬টি দেশে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। বাকি ম্যাচগুলো আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো।
প্যারাগুয়ের গণমাধ্যম রক অ্যান্ড পপ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যারিসন বলেন, ‘আমরা, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে ইতোমধ্যেই ২০৩০ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছি। তবুও আমরা বাছাইপর্ব খেলব। বাকি সাড়ে তিনটি টিকিট চূড়ান্ত অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।’
তিনি জানান, বাছাইপর্বে ভালো অবস্থান অর্জনের গুরুত্ব আরও বাড়াতে কনমেবল ও উয়েফার যৌথ উদ্যোগে নতুন একটি প্রতিযোগিতা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এটি অনেকটা উয়েফা নেশনস লিগের আদলে হতে পারে।
Advertisement
হ্যারিসনের ভাষ্য, ‘অবস্থানের ভিত্তিতে দলগুলো ইউরোপের বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হবে এবং ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে। এসব ম্যাচ থেকে আর্থিক সুবিধাও পাওয়া যাবে। তাই কেউই বাছাইপর্বকে শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মঞ্চ হিসেবে নেবে না।’
তবে এই পরিকল্পনা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মার্চে ২০৩০ বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব শুরু হবে এবং আগের মতোই হোম-অ্যাওয়ে লিগ পদ্ধতি বহাল থাকবে।
যদি পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত হয়, তাহলে বিশ্বকাপে আগেই নিশ্চিত হওয়া আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েও বাছাইপর্বে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশ নেবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে অতিরিক্ত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগও তৈরি হবে, যা আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
আরআর/আইএইচএস/
Advertisement