জাতীয়

বন্যার ধাক্কা কাটিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা, অনুপস্থিতি ২.৩৫ শতাংশ

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসির প্রথম পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাঁচ জেলার ১১৪টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ অনুপস্থিত ছিল। এছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে একজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

Advertisement

সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত দৈনিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন বোর্ডের আওতাধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার ১১৪টি কেন্দ্রে পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথমপত্র এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৭৩১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন এক হাজার ৮২৫ জন। চট্টগ্রাম জেলায় একজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলেও কোনো পরিদর্শককে বহিষ্কার করতে হয়নি।

Advertisement

জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, চট্টগ্রামের ৬৮টি কেন্দ্রে ৫৬ হাজার ৫৮৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৫ হাজার ৩৮৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং অনুপস্থিত ছিলেন এক হাজার ২০২ জন। কক্সবাজারে ১৮টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৮ হাজার ৮২৯ জন, অনুপস্থিত ২৬৩ জন।

রাঙ্গামাটির ১০টি কেন্দ্রে তিন হাজার ৯৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন তিন হাজার ৮৫৭ জন, অনুপস্থিত ১০৯ জন। খাগড়াছড়ির ১০টি কেন্দ্রে পাঁচ হাজার ২১৯ জনের মধ্যে পাঁচ হাজার ৬৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন, অনুপস্থিত ১৫৪ জন। আর বান্দরবানের আটটি কেন্দ্রে দুই হাজার ৬৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে দুই হাজার ৫৯৫ জন অংশ নেন, অনুপস্থিত ছিল ৯৭ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানায়, জেলা প্রশাসকদের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সব কেন্দ্রে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী সোমবার থেকে পুনরায় পরীক্ষা শুরু হলো।

Advertisement

এমআরএএইচ/বিএ