সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তারা বলেছেন, ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য বা নির্দিষ্ট সময়সূচি না পেলে তারা রাজপথে নামবেন।
Advertisement
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে নিয়োগপ্রত্যাশীরা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, নিয়োগের বিষয়ে তারা বারবার মৌখিক আশ্বাস পেয়েছেন। কিন্তু এখনো নিয়োগ হয়নি। ফলে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনের আগে তাদের একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, মহাপরিচালক তাদের বলেছেন, ২৯ জুলাই তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে নিয়োগের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
Advertisement
নিয়োগপ্রত্যাশীরা বলেন, ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের বিষয়ে লিখিত কোনো বক্তব্য বা নির্দিষ্ট তারিখ না পেলে আমরা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবো। আমরা রাস্তায় আসতে চাই না, ক্লাসরুমে থাকতে চাই। কিন্তু আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
আরও পড়ুন প্রশিক্ষণের আগে পদায়ন চান প্রাথমিকের নতুন ১৪৩৮৪ শিক্ষকচলতি বছরের ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। এত উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনো যোগদান করতে পারেননি। গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলনে নামেন তারা। এরপর তাদের প্রশিক্ষণসহ কিছু শর্তে যোগদান করানো হবে বলে জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এএএইচ/এমআইএইচএস/
Advertisement