জাতীয়

চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা করবে জেলা পরিষদ

বন্যায় ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও ফসল হারানো মানুষের পুনর্বাসনে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের পর প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ওএচিয়ার টেক এলাকায় উপজেলা কৃষক দলের উদ্যোগে আয়োজিত ত্রাণ ও কৃষি চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করেন।

মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বন্যায় অসংখ্য মানুষ ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, ফসল, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগির খামার ও মাছের ঘের হারিয়েছেন। এসব ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এরই মধ্যে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এটি রাজনৈতিক কর্মসূচি বা আনুষ্ঠানিকতা পালনের সময় নয়; বরং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। বন্যা শুরু হওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুনর্বাসন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ সহায়তা কার্যক্রম চলবে।

Advertisement

জেলা পরিষদের প্রশাসক আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

শুধু সাতকানিয়া নয়, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, চকরিয়া ও কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার পাশাপাশি জেলা পরিষদও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিউদ্দিন, নাজমুল মোস্তফা আমিন, মুজিবুর রহমান, জামাল হোসেন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম, দক্ষিণ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন চৌধুরী রানা, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মীর জাকিরসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/এমএএইচ/

Advertisement