বিনোদন

আমি নিজেও জানি না কীভাবে সব হয়ে গেছে : মোশাররফ করিম

টেলিভিশন নাটক, সিনেমা ও ওটিটি তিন মাধ্যমেই সমান জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করেছেন তিনি। অসংখ্য দর্শকপ্রিয় চরিত্র উপহার দিয়েছেন, পেয়েছেন প্রশংসা ও স্বীকৃতি। অথচ নিজের সাফল্যের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা হিসাবের কথা বলতে রাজি নন এই অভিনেতা। বরং তার ভাষায়, তিনি কখনোই খুব গুছিয়ে চলা মানুষ ছিলেন না।

Advertisement

আরও পড়ুন ‘শাকিবকে পেয়েও অনুষ্ঠান জমাতে পারেননি পূর্ণিমা’, সমালোচনায় অ্যাডলফ খান

সম্প্রতি গাজীপুরের পুবাইলে একসঙ্গে দুটি নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন মোশাররফ করিম। একই লোকেশনে পাশাপাশি দুটি ইউনিটের কাজ চলছিল। একদিকে শামীম জামান পরিচালিত পারিবারিক ধারাবাহিক ‘এক পাতিলের সংসার’, অন্যদিকে নির্মাতা মহিন খানের রচনা ও পরিচালনায় এক ঘণ্টার বিশেষ নাটক ‘সুবিধাবাদী’। দুটি নাটকের দৃশ্য ধারণের ফাঁকেই জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

আলাপচারিতায় উঠে আসে তার অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, বর্তমান নাটকের ধারা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নতুন কাজের প্রসঙ্গ।

এদিন মোশাররফ করিম মূলত মহিন খানের ‘সুবিধাবাদী’ নাটকের শুটিং করছিলেন। নাটকটিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন হিমি, শিরীন বকুলসহ আরও কয়েকজন শিল্পী। নিজের নতুন কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে যে সেটে আছি, এ নাটকের নাম ‘সুবিধাবাদী’। এর রচনা ও পরিচালনা মহিন খানের। খুব ভালো গল্পের এক ঘণ্টার নাটক। আমি আছি, হিমি আছে, শিরীন আপা আছেন, আরও অনেকেই আছেন। আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। আশা করি দর্শক কাজটি উপভোগ করবেন।’

Advertisement

বছরের প্রায় পুরো সময়ই নাটক, সিনেমা ও ওটিটির কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন মোশাররফ করিম। একের পর এক নাটক, সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্টে কাজ করলেও কীভাবে এত ব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে গুছিয়ে রাখেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিজেই যেন বিস্মিত। হেসে মোশাররফ করিম বলেন, ‘আমি তো নিজেও জানি না। এটা বলতে পারব না। আমি গুছিয়ে চলা মানুষ নই, কীভাবে যেন সব হয়ে গেছে।’

বর্তমান সময়ের নাটকে সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নিজের ভাবনাও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তার মতে, শিল্পের দায়িত্ব শুধু বার্তা দেওয়া নয়, দর্শককে আনন্দ দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন এনসিপির বক্তব্যে ক্ষোভ / কিশোরগঞ্জের সন্তান হিসেবে প্রতিবাদ জানালাম : খায়রুল বাসার

তিনি বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা আর্টে নানাভাবে হতে পারে। আমি যদি এমন একটা কমেডি নাটক করি, যেখানে কোনো সরাসরি বার্তা নেই, কিন্তু সেটা দেখে একজন মানুষ আনন্দ পেল, মানসিকভাবে হালকা হলো, সেটাও বড় দায়িত্ব পালন। আনন্দ দেওয়াটাও এক ধরনের চিকিৎসা।’

আলাপচারিতা যখন জমে উঠেছে, ঠিক তখনই শুটিংয়ের ডাক পড়ে। আকাশেও নেমে আসে বৃষ্টির ফোঁটা। তাই ব্যস্ততার মাঝেই সাক্ষাৎকার শেষ করতে হলো। অভিনেতা ফিরে গেলেন লাইট-ক্যামেরার কাছে।

Advertisement

 

এমআই/এলআইএ