হত্যা ও অস্ত্র আইনের তিন মামলায় চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
Advertisement
ডেভিড ইমন ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মো. মুসার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়মা আফরিন হিমার আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া আরও তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার বলেন, ফটিকছড়ি থানার একটি হত্যা ও দুটি অস্ত্র আইনের মামলায় ডেভিড ইমনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আদালত তাকে এসব মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
ডেভিড ইমনের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো অন্য তিনজন হলেন- কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মো. শামীম (২৮), ঢাকার শ্যামপুর এলাকার আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার মো. সাফায়েত হোসেন (২৪)।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, সিএমপির বায়েজিদ বোস্তামী থানাসহ বিভিন্ন থানায় ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন এখনো আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। আগামী সোমবার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আবেদন করবেন।
এর আগে বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় সংঘটিত মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রেফতার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
Advertisement
পুলিশের তথ্যমতে, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তাধীন।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/