চট্টগ্রামের পটিয়ায় মাদকের একটি আস্তানা পুড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পটিয়া থানার জিরি ইউনিয়নের নিশ্চিন্তাপুর মহিরাহিখাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
Advertisement
খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মো. এস্কান্দর ওরফে এস্ক নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটিয়ার জিরি ইউনিয়নের নিশ্চিন্তাপুর মহিরাহিখাইন এলাকায় একটি জরাজীর্ণ কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে মাহমুদুল হক নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে মাদকের আস্তানা গড়ে ওঠে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবার চলায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা ওই আস্তানা ঘিরে ফেলে। এ সময় মাহমুদুল হক পালিয়ে গেলেও আরেক মাদক কারবারি এস্কান্দরকে আটক করে জনতা। তার কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা আস্তানাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন অপহরণ-মাদক রোধে টেকনাফে ‘অলআউট’ অভিযানের সিদ্ধান্তপরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এস্কান্দরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটক এস্কান্দর জিরি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মালিয়ারা এলাকার মোহাম্মদ সেকান্দরের ছেলে।
Advertisement
স্থানীয় বিএনপি নেতা ফোরকান ও ছাত্রদল নেতা লতিফ জানান, এলাকায় মাদকের কারবার বেড়ে যাওয়ায় সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা আস্তানাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং এস্কান্দরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তবে তারা এ চক্রের মূল হোতা মাহমুদুল হককে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
আরও পড়ুন মধ্যরাতে মাদকের আখড়া পুড়িয়ে দিল জনতাস্থানীয় বাসিন্দা মো. হালিম বলেন, এলাকায় মাদকের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। কয়েকবার সতর্ক করার পরও তারা মাদক কারবার বন্ধ না করায় শেষ পর্যন্ত স্থানীয়রা এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।
ঘটনাস্থলে যাওয়া পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এস্কান্দর নামের একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এমডিআইএইচ/এমএমকে
Advertisement