ঈদের খাবার মানেই যেন মাংস আর ভারী পদ, কিন্তু এবার চাইলে মেন্যুতে আনতে পারেন একটু ভিন্নতা। উৎসবের এই আনন্দঘন দিনে হালকা, পুষ্টিকর আর রঙিন কোনো আইটেম টেবিলে যোগ করলে জমে উঠবে স্বাদের বৈচিত্র্য। কুমড়া আর গাজরের প্রাকৃতিক মিষ্টতা আর পাস্তার মোলায়েম টেক্সচার মিলিয়ে তৈরি এই বিশেষ পদটি যেমন দেখতে আকর্ষণীয়, তেমনি খেতেও দারুণ সুস্বাদু। তাই ঈদে হোক একটু নতুন পরীক্ষা বানিয়ে নিন কুমড়া-গাজরের পাস্তা আর চমকে দিন পরিবার-অতিথিদের। রইলো রেসিপি-
Advertisement
প্রথমে হাতে সামান্য তেল মেখে নিন। এরপর ব্লেন্ড করা গাজর ও কুমড়ার মিশ্রণের সঙ্গে অল্প অল্প করে ময়দা মিশিয়ে নরম খামির তৈরি করুন। অন্তত ১৫–২০ মিনিট ভালোভাবে মথতে হবে, যেন খামিরটি মসৃণ ও ইলাস্টিক হয়। এরপর খামিরটি ঢেকে রেখে দিন প্রায় এক ঘণ্টার জন্য।
এবার পাস্তা বানানোর পালা। ঘরে যদি পাস্তা মেকার থাকে, তাহলে সেটির সাহায্যে সহজেই পাস্তা তৈরি করে নিতে পারবেন। আর না থাকলে বেলন দিয়ে খামিরটি পাতলা করে রুটির মতো বেলে নিন। তারপর ছুরি দিয়ে চিকন ফিতার মতো করে কেটে নিন। কাটার পর পাস্তার ওপর ভালোভাবে ময়দা ছড়িয়ে দিন, যেন টুকরোগুলো একে অপরের সঙ্গে লেগে না যায়। একটি বড় পাত্রে ছড়িয়ে রেখে ফ্যানের বাতাসে প্রায় ৪০ মিনিট শুকাতে দিন। সংরক্ষণ করতে চাইলে আরও কিছুটা বেশি সময় শুকিয়ে নিয়ে জিপার ব্যাগ বা এয়ারটাইট বক্সে ভরে ফ্রিজে রাখুন, এভাবে প্রায় এক সপ্তাহ ভালো থাকবে। তবে চাইলে ফ্রেশ অবস্থাতেই রান্না করে নিতে পারেন।
ফ্রেশ পাস্তা রান্নার পদ্ধতিপ্রথমে একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে তাতে সামান্য তেল ও লবণ দিন। এরপর পাস্তা দিয়ে সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখুন। অন্যদিকে একটি প্যানে অলিভ অয়েল গরম করে তাতে রসুন দিয়ে ৩–৪ মিনিট হালকা ভেজে নিন। এরপর চিংড়ি দিয়ে আরও প্রায় ৫ মিনিট ভাজুন। তারপর বাকি উপকরণগুলো দিয়ে আরও ৫ মিনিট নাড়াচাড়া করুন, যেন সবকিছু ভালোভাবে মিশে যায়। এবার সেদ্ধ করা পাস্তা প্যানে ঢেলে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন এবং আরও ২ মিনিট চুলায় রাখুন। সবশেষে মাখন ও গ্রেট করা পার্মেজান চিজ ছড়িয়ে দিয়ে ভালোভাবে টস করে গরম গরম পরিবেশন করুন।
Advertisement
জেএস/