প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে।
Advertisement
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি জানিয়েছেন।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭ নভেম্বরকে আগের মতো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে ঘোষণা করা। এটি একটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হবে।
‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হওয়ায় ৭ নভেম্বর সরকারি ছুটি থাকবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আগে ছিল, এখন আবার তা ফেরত আনা হয়েছে। গত ১৬ বছর এটি পালন করা হয়নি।
Advertisement
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন জিয়াউর রহমান। এরপর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান হলে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন।
৭ নভেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সঙ্গে যুক্ত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানে আটকাবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন তিনি। বিএনপি এই দিনকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় এই দিবসটি আর পালন করেনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। এটি ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হবে। ফলে এই দিবসে ছুটি থাকবে না।
কেএইচ/এমএমকে/কেএএ/
Advertisement