দেশজুড়ে

আ’লীগ সভাপতিকে ধরতে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি চার পুলিশ কর্মকর্তা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছেন আসামির স্বজনরা।

Advertisement

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর সালেপুর মুন্সিরচর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আসামি কবির খান (৪৫) চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর সালেপুর গ্রামের মৃত সুরমান খানের ছেলে। তিনি চর হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চরভদ্রাসন থানায় মামলা রয়েছে।

আহত পাঁচ পুলিশ সদস্য হলেন, চর ভদ্রাসন থানার এসআই কাজী রিপন, এসআই মোজাম্মেল হক, উপপরিদর্শক এসআই রফিকুজ্জামান, এএসআই গাজী সোহেল রানা ও কনস্টেবল উজ্জ্বল হোসেন।

জানা গেছে, সকালে চরভদ্রাসন থানার এসআই রফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচ পুলিশ সদস্য মুন্সিরচর বাজারে অভিযান চালিয়ে কবির খানকে গ্রেফতার করে। তাকে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে তোলার সময় কবিরের বড় ভাই সূর্য খান বাধা দেন। তাৎক্ষণিক কবিরের ১০ থেকে ১৫ স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় কবির খানকে ছিনিয়ে নেয়।

Advertisement

হামলায় এসআই রফিকুজ্জামানের ডান হাত জখমসহ অন্য চার পুলিশ সদস্যরা আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।

চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন বলেন, কবিরের এক হাতে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ অন্য হাতে ধরে রেখেছিল। কবির খানের অনুসারী ও স্বজনরা এসে হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে হাতকড়াটি উদ্ধার করে থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, কবির খান সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলার আসামি। তাকে গ্রেফতার করতে পাঁচ পুলিশ সদস্য গেলে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। আসামি কবির খানকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এন কে বি নয়ন/এএইচ/এমএস

Advertisement