জ্বালানির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রীষ্মকালীন সময়সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে জার্মানির বিমান সংস্থা লুফথানসা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা প্রায় ২০ হাজার স্বল্প দূরত্বের ফ্লাইট বাতিল করবে।
Advertisement
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জেট ফুয়েলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, অনেক ফ্লাইট এখন অলাভজনক হয়ে পড়ায় বিমান সংস্থাগুলোকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
শুধু লুফথানসা নয়, আরও কয়েকটি বড় এয়ারলাইন কিছু ফ্লাইট সাময়িকভাবে কমিয়েছে এবং যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত খরচ চাপাতে টিকিটের দাম বাড়িয়েছে।
Advertisement
ইউরোপের প্রায় ৫০ শতাংশ বিমান জ্বালানি আসে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে, যার বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে কুয়েতের আল-জোউর রিফাইনারি একাই ইউরোপের প্রায় ১০ শতাংশ জেট ফুয়েল সরবরাহ করে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করেছে, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইউরোপে জেট ফুয়েলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
Advertisement
বিশ্লেষকদের ধারণা, এর ফলে—টিকিটের দাম আরও বাড়বে, আরও ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।
লুফথানসা জানিয়েছে, ইউরোপীয় রুট কমালেও দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট চালু থাকবে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি সাশ্রয়ের আশা করছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএসএম